প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে টানা তিনটি জয় অর্জনের পর চতুর্থ ম্যাচে এসে হারের স্বাদ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ এইচপি। অ্যাডিলেড একাডেমির বিরুদ্ধে ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ ১৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে মাত্র ৮ বলের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে দলটি ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে।
বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র আরিফুল ইসলামই লড়াই চালিয়েছেন। তিনি ৬৬ রানের ইনিংস খেললেও দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেননি।
ডারউইনের মারারা ওভালে ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়াতে নেমে বাংলাদেশ প্রথম বলেই জিসান আলমকে হারায়। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। আরিফুল এক প্রান্তে লড়াই চালিয়ে গেলেও অন্য প্রান্তে কেউ তাকে দীর্ঘ সময় সহযোগিতা করতে পারেননি।
সাব্বির রহমান ৮ বলে ৫ এবং অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ৭ বলে ৫ রান করে ফিরে যান। মাত্র ১৭ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ চাপে পড়ে। এরপর পঞ্চম উইকেটে আরিফুলের সঙ্গে জুটি গড়েন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। তিনি ১৮ বলে ১৮ রান করে আউট হলে আবারও ব্যাটিং ধস নামে।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ এইচপির ইনিংস ১৪৩ রানে শেষ হয়, যেখানে মাত্র ৮ বলের ব্যবধানে আরও পাঁচ উইকেট হারানো হয়।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৪ রান তোলে অ্যাডিলেড একাডেমি। চতুর্থ ওভারে কন্নর ক্যারলকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন মিস্ট্রি স্পিনার রুবেল। পরের ওভারেই জের্সিস ওয়াদিয়াকে বোল্ড করেন আবু হায়দার রনি।
বাংলাদেশি বোলারদের চাপে নিয়মিত উইকেট হারালেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন হেনরি হান্ট। তিনি ২৯ বলে ৩৫ রান করেন। শেষদিকে আর কোনো ব্যাটার বড় ইনিংস খেলতে না পারায় অ্যাডিলেড একাডেমির ইনিংস ১৬৪ রানে থামে।
বাংলাদেশ এইচপির হয়ে আবদুল গাফফার সাকলাইন চারটি, রুবেল তিনটি এবং আবু হায়দার রনি ও রাকিবুল একটি করে উইকেট নেন।
এই জয়ে টানা তিন ম্যাচের জয়ের পর প্রথমবারের মতো হারের মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ এইচপি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন