প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ওয়াশিংটনে বৈঠকের কয়েক দিন পর এবার তেহরান সফরে যাচ্ছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি। আগামী সপ্তাহে হতে যাওয়া এই সফরের লক্ষ্য মূলত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর দিকে নির্দেশিত।
রবিবার ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, আসন্ন এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে জোরদার করতেই এসব চুক্তি সম্পাদন করা হবে।
বাগদাদের জন্য এই সফরটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এক দিকে তারা তেহরানের সাথে নিজেদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, অপর দিকে ওয়াশিংটনের সাথে কৌশলগত সম্পর্কও নিশ্চিত করতে চায়।
এর আগে, গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি। সেখানে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন বাহিনী ইরাক ত্যাগ করবে। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কোনো ‘যৌক্তিক কারণ’ থাকবে না।
মূলত, দীর্ঘদিনের বৈরী দুই দেশ, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একটি কূটনৈতিক ‘সেতু’ হিসেবে কাজ করতে চাইছে ইরাক। নিজেদের এই অবস্থান ব্যবহার করে তারা দুই পক্ষের মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এড়াতে জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন