প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে চাকরি গ্রহণ করেন রাজধানীর হাতিরপুলের মোহাম্মদ গোলাম মাওলা। দীর্ঘকাল চাকরি করার পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তিনি জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২১ সালে একটি বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। বিভাগীয় মামলার প্রমাণিত হওয়ার পর, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।
চাকরি থেকে অপসারণ হওয়া একমাত্র বিষয় নয়। তাকে ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত গ্রহণ করা বেতন ও ভাতা, মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা, ৩০ দিনের মধ্যে ফেরত দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (সাধারণ ও সংস্থাপন শাখা) থেকে জারি করা হয়েছে।
অফিস আদেশে সাবেক অফিস সহকারী মোহাম্মদ গোলাম মাওলাকে উদ্দেশ্য করে উল্লেখ করা হয় যে, তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে আদালতের অফিস সহকারী পদে চাকরি নিয়েছেন। ফলে, চাকরিকালে দায়ের করা (০৯/২০২১) বিভাগীয় মামলায় তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রুলস অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। তার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য করা হয়। সুতরাং, তিনি চাকরিকালে কোনো বেতন বা ভাতা পাওয়ার অধিকারী নন।
২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরির সময়কাল জুড়ে গোলাম মাওলা মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা বেতন ও ভাতা গ্রহণ করেছেন।
আদেশে উল্লেখ করা হয় যে, গোলাম মাওলার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে এবং যেহেতু তিনি কোনো বেতন বা ভাতা পাওয়ার অধিকারী নন, তাই উত্তোলন করা বেতন ও ভাতা বাবদ মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা অটোমেটেড চালান সিস্টেমের মাধ্যমে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন