প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামালপুর প্রতিনিধির তিনতলা থেকে জানানো গেছে যে জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ করেছে স্বজনরা।
বেসরকারি একটি হাসপাতালের কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন তারা। এর পাশাপাশি সাংবাদিকদের ওপরও হামলার অভিযোগ উঠেছে যখন তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে এই হামলাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে এম. এ রশীদ হাসপাতালে ঘটনাটি ঘটে।
মৃত জেরিনের স্বামী দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ করেছেন, গত ৯ জুলাই তার স্ত্রী পেটে সিস্টের ব্যথা নিয়ে এম. এ রশীদ হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ এ সময় দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেয়। পরে ডা. হারুন অর রশিদের তত্ত্বাবধানে সিস্টের অপারেশন সম্পন্ন হয়। প্রথম দিন রোগী স্বাভাবিক থাকলেও অপারেশনের দ্বিতীয় দিন থেকে পেট এবং পেটের চামড়া ফুলে যেতে থাকে। স্ত্রী জেরিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিতে চাইলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং চিকিৎসকরা সাতদিন ধরে রোগীকে ধরে রাখে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, রোগীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে ইউনাটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন যে অপারেশনের সময় তার স্ত্রী জেরিনের খাদ্যনালী কেটে ফেলায় খাবার ছিদ্র হয়ে পেটে মারাত্মকভাবে ইনফেকশন হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউনাইটেড হাসপাতালে আরেকটি অপারেশন করলেও রোগীর অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি। উল্টো সেখানে ছয়দিন থাকার পর আমাদেরকে জানানো হয় রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, ইউনাইটেড এবং এম. এ রশীদ হাসপাতাল একই গ্রুপের হওয়ায় তারা অর্থ দেওয়ারও চেষ্টা করে। স্ত্রীকে দাফন করে, আজ দুপুরে এম. এ রশীদ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার বিষয়টি জানাতে আসলে হাসপাতালের স্টাফরা আমার ওপর ও স্বজনদের ওপর হামলা করে।
এই সময় ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর ঘটনাটি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে এসে এম. এ রশীদ হাসপাতালের কর্মীরা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। তবে অভিযোগের বিষয়ে জামালপুর এম. এ রশীদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কেউ গণ্যমাধ্যমে বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন