প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্সের গণনা চতুর্থবারের মতো সম্পন্ন হয়েছে। ৩৪ দিন পর দানবাক্সটি খুলে পাওয়া গেছে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি পাওয়া গেছে স্বর্ণ এবং ১৫টি দেশের মুদ্রাও। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক (সিসিক) আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বাক্সে পাওয়া দানের হিসাব ঘোষণা করেন।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর দরগাহে বসানো ৩টি দানবাক্স ও ৩টি ডেগ থেকে টাকা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দানবাক্স ও ডেগের সিলগালা খুলে টাকা সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রায় অর্ধশত স্বেচ্ছাসেবী মিলে দিনভর সেগুলো গণনা করেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম প্রাপ্ত দানের হিসাব ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, এবার দান হিসেবে মিলেছে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি স্বর্ণ, ব্রিটিশ ৫ পাউন্ড, ভারতীয় রূপি ৩ হাজার ৯৫৪, থাইল্যান্ডের ৫ বাথ, সৌদি আরবের ৯৯.২৫ রিয়াল, মালয়েশিয়ার ২৯ রিঙ্গিত, ৮ মার্কিন ডলার, ওমানের ৯০৩ রিয়াল, আরব আমিরাতের ৫৭.২৫ দেহরাম, ইরাকের ১ দিনার, কাতারের ২১.৫০ রিয়াল, ৩০.১০ ইউরো, বাহরাইনের দশমিক ২৫ দিনার, পাপুয়া নিউগিনির ৫০ টিনা, চীনের ১৫ ইউয়ান ও ইন্দোনেশিয়ার ৫ হাজার রূপিয়াহ পাওয়া গেছে। এছাড়া দান হিসেবে ৬টি গরু ও ১১টি ছাগলও পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে লঙ্গরখানায় খাবারের জন্য জবাই করা হয়েছে ৫টি গরু ও ৬টি ছাগল। ৪টি ছাগল বিক্রি করে লঙ্গরখানার স্টাফদের মজুরি প্রদান করা হয়েছে এবং একটি করে গরু ও ছাগল গরিব দুই মেয়ের বিয়েতে দান করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৫ আগস্ট ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়েছিল। ওই সময় পাওয়া গিয়েছিল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন