প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চলতি বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চিপের ব্যাপক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি আয়ে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির কাস্টমস বিভাগ জানায়, এ খাত থেকে অর্জিত আয় বর্তমানে ৭০৯.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
গত বছরের বার্ষিক রপ্তানি রেকর্ডকেও এটি অতিক্রম করেছে। গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি ৭০৯.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল, যা ছিল টানা দ্বিতীয়বারের মতো বার্ষিক রেকর্ড। কাস্টমস সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি ডিসেম্বরের শুরুতেই বার্ষিক রপ্তানির ক্ষেত্রে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করার পথে রয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জার্মানির পর চতুর্থ দেশ হিসেবে তারা এই কৃতিত্ব অর্জন করবে।
কাস্টমস বিভাগ জানিয়েছে, সংরক্ষণবাদী নীতি জোরদার হওয়া, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্গঠন এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট অনিশ্চিত বাণিজ্য পরিবেশের মধ্যেও দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখেছে।
মোট রপ্তানির ৪১ শতাংশই চিপ
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ রপ্তানি ১৬৯.৬ শতাংশ বেড়ে ২৮১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৪১ শতাংশ। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মেমোরি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স এবং এসকে হাইনিক্স দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থিত। এআই খাতে বিনিয়োগের জোয়ারের কারণে চিপের ঘাটতি তীব্র হওয়ায় এবং দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এই কোম্পানিগুলো লাভবান হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে জানুয়ারি থেকে আগস্ট সময়ে আগের বছরের তুলনায় বিদেশে চালান বা রপ্তানি ৪ শতাংশ কমেছে। তথ্যে দেখা গেছে, এই সময়ে দেশটির প্রধান রপ্তানি গন্তব্য চীনে রপ্তানি ৭৬ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন