প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীতে ডেঙ্গু সংক্রমণের কারণে মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত পাঁচ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ১৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন ১০৭ জন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ১০৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। গত জুলাই মাস থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামিম আহমেদ জানিয়েছেন, ১৯ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে নতুন করে ২০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। ওইদিন ১২ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। একই দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত মো. আনোয়ার মন্ডল (৫২) মারা যান। তার বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়। ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের তথ্যে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গু আক্রান্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে ২০ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে নতুন করে আরও ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। ওইদিন ১৮ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। একই দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৬ বছর বয়সী সাথী রাণীর মৃত্যু ঘটে। তার বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। সাথী রাণী ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টায় রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে ২১ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে নতুন করে ২৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। একই সময়ে ২৭ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। ওইদিন ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। দিন শেষে হাসপাতালে ১০৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২২ সেপ্টেম্বর নতুন করে ২৯ জন ডেঙ্গু রোগী রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন। এদিন ২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। একই দিনে আব্দুল করিম (৪৫) নামে এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু ঘটে। এই সময়ে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১০৭ জনে পৌঁছায়।
জানা গেছে, আব্দুল করিম পেশায় কৃষক ছিলেন এবং তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পোলাডাঙ্গা বটতলা এলাকায়। তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ২২ সেপ্টেম্বর সকালে তার মৃত্যু হয়।
সবশেষ বুধবার হাসপাতালে নতুন করে ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এদিন নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ফলে বর্তমানে হাসপাতালে ১০৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন