প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরে জেলা ইজতেমা অষ্টমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
গোর-এ-শহীদ ময়দানে (হেলিপ্যাড) মুসল্লিদের জন্য প্যান্ডেল, টয়লেট, অজুখানা এবং আগত মেহমানদের থাকার ঘর তৈরির কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে আসবেন জেলার ১৩টি উপজেলা, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামসহ আশপাশের এলাকার মুসল্লিরা।
জেলা তাবলিগের আমিরে ফয়সাল এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আব্দুল হাকিম জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আমিরে ফয়সাল এবং ঢাকার কাকরাইলের জিম্মাদার (দায়িত্বশীল) আরো কয়েকজন জিম্মাদার (দায়িত্বশীল) ইজতেমায় উপস্থিত থাকবেন।
জেলা তাবলিগের আরেক দায়িত্বশীল শেখ সাবির আলী জানিয়েছেন, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও সুদানের জামাতগুলো দিনাজপুরে অবস্থান করছে। এছাড়া আরো কয়েকটি দেশের জামাত পথে রয়েছে। তারা ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সামনে আম বয়ান পেশ করতে পারেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ইজতেমা শুক্রবার থেকে শুরু হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দলে দলে জামাতগুলো আসতে শুরু করবে এবং মুসল্লিদের উপস্থিতিতে মাঠ ভরে যাবে।
স্বেচ্ছায় শ্রম দেওয়ার জন্য বুধবার বিকেল থেকে মুসল্লিরা ইজতেমায় আসতে শুরু করেছেন। তাদের অজু-গোসলের পানি সরবরাহের জন্য টিউবওয়েল, একটি সাব-মারসিবল পাম্প, মোটর বসানো হয়েছে। নিরাপদ স্যানিটেশনের জন্য দুই শতাধিক টয়লেট প্রস্তুত করা হয়েছে। বিদেশি মেহমান ও তাবলিগ জামাতের বৃদ্ধ সাথিদের জন্য মাঠের দক্ষিণ পাশে বিশেষ কক্ষ তৈরি করা হয়েছে।
ইজতেমার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মো. মেহেরুল ইসলাম এবং হাবিপ্রবির শিক্ষক কৃষি রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আব্দুল হাকিম আমিরে ফায়সালের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া ১০ জন সুরা সদস্যও রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে প্রথমবার জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। করোনার কারণে দুই বছর ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবারের আয়োজন হচ্ছে দিনাজপুরে অষ্টমবারের মতো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন