প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১২টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মোট ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প এবং একটি ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকায় দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা রয়েছে ২০৩১ সালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে এই ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করার।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। বৈঠকের পর পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এই বিষয়ে ব্রিফ করেন।
তিনি জানান, ‘জয়দেবপুর-ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ইলেকট্রিক ট্রেনের প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমাদের বর্তমান কমিউটার ট্রেনের মতোই এই ব্যবস্থা। বলতে পারেন এর সঙ্গে মেট্রো রেলের একটা সাদৃশ্য আছে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মেট্রো রেল যেভাবে চলে, এটাও সেভাবে চলবে। তবে এটি ট্রেডিশনাল ট্রেন লাইন ট্র্যাকের মধ্য দিয়েই পরিচালিত হবে। এই প্রকল্প পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ ইলেকট্রিক ট্রেন লাইনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।’
তিনি যোগ করেন, ‘এটা সফল হলে এখানে একটি ইলেকট্রিক ট্রেন লাইন যুক্ত হবে এবং একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম ইলেকট্রিক ট্রেন লাইন হবে। তার জন্য ট্র্যাক তৈরি করার প্রকল্প রয়েছে। অনেকের প্রশ্ন—বিদ্যমান ট্র্যাক লাইন দিয়ে এটি চলবে কিনা। বিদ্যমান ট্র্যাক লাইনের যে স্পিড ওঠে, আর এই কমিউটার ট্রেনের যে স্পিড হবে—দুয়ের মধ্যে একটু পার্থক্য থাকবে।’
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘তবে এই কমিউটার ট্রেন আবার বুলেট ট্রেনের মতো ৩০০ কিলোমিটার পার আওয়ার—এরকম স্পিডে যাবে না, এটার সর্বোচ্চ গতি হবে ১৬০। এই ১৬০ কিলোমিটার চলার মতো যে ট্র্যাক লাইন দরকার, সেটি তৈরি করা হচ্ছে। প্রায় ৭০ শতাংশ ইতিমধ্যে এগিয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইলেকট্রিক ট্রেন লাইনের প্রকল্প সম্পন্ন হলে এই ট্র্যাক লাইনে কমিউটার ট্রেন প্রায় ১৬০ গতিতে চলবে, যেমনটা মেট্রো রেল চলে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন