প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রীকে শাসন করায় অফিস কক্ষে ঢুকে এক নারী প্রধান শিক্ষকের উপর মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক অভিভাবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত অভিভাবকের এই কর্মকাণ্ডের ফলে সিসিটিভি ক্যামেরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার কারণে সমালোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি সম্প্রতি ঘটে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। লাঞ্ছনার শিকার ওই শিক্ষকের নাম কাবেরী করিম। তিনি বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ওই একই দিন দুপরের দিকে বিদ্যালয়ের পাশের ফার্মপাড়া এলাকার বাসিন্দা সামসউর রহমান শুভ বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ শুরু করেন। একপর্যায়ে, অফিসকক্ষে বসে থাকা প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিমকে আচমকা চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে। পরে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষকেরা তাকে থামিয়ে বাইরে নিয়ে যান।
সামসউর রহমান শুভ বলেন, আমার মেয়ে বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্য (৯) ওই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কিছুদিন থেকে অসুস্থ। বুধবার বিদ্যালয়ের সমাবেশ চলাকালে এক সহপাঠীর সাথে কথা বলার কারণে তার গালে একটি চড় দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে কথাবার্তা বলার সময় তিনিও খারাপ আচরণ শুরু করেন। পরে আমি তাকে চড় দিলে তিনিও আমাকে মারধর করতে শুরু করেন।
লাঞ্ছনার শিকার প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিম বলেন, আমি একজন শিক্ষক হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আদর ও প্রয়োজনে শাসনও করতে হয়। এ কারণেই আমি আলতো করে একটি চড় মেরেছিলাম। তবে এজন্য একজন অভিভাবক আমার অফিসে এসে আমার গায়ে হাত তুলবেন, এটা আমার জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহীন্দ্র কুমার মন্ডল বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি ঘটনা সত্য হয়, তবে এটি সত্যিই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। অফিসিয়ালি অভিযোগ পেলে নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন