প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য মাসে ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করেছে। তবে অনেক এলাকায় বাসিন্দাদের কাছ থেকে এই নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি টাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ পরিস্থিতিতে, প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান বা পিসিএসপির কার্যক্রমের তদারকির জন্য অঞ্চলভিত্তিক কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছে ডিএসসিসি।
বৃহস্পতিবার, ডিএসসিসির সচিব জয়নুল আবেদীনের স্বাক্ষরে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ওই আদেশে বলা হয়েছে, করপোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ডগুলোর বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহকারী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা পিসিএসপি বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থান পর্যন্ত নিয়ে যায়। এই কাজের জন্য প্রতিটি বাসাবাড়ি থেকে ১০০ টাকা সেবা ফি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। পিসিএসপিগুলো এই নির্ধারিত ফি নিচ্ছে কি না, তা নিয়মিতভাবে তদারকির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্য নিয়ে পিসিএসপির দৈনন্দিন কার্যক্রম, বর্জ্য অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের তদারকির দায়িত্ব অঞ্চলভিত্তিক আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে। ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা নিজ নিজ অঞ্চলে এই তদারকি করবেন।
কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে পিসিএসপিগুলো প্রতিদিন নিয়মিতভাবে বর্জ্য সংগ্রহ করছে কি না, সেটি যাচাই করার দায়িত্বও পালন করতে হবে। সেবা গ্রহণকারীদের কাছে নির্ধারিত মাসিক ফি ১০০ টাকার বেশি নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও নিয়মিতভাবে তদারকি করতে হবে। যদি কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে প্রমাণসহ প্রশাসনিক মাধ্যমে প্রতিবেদন দিতে হবে।
এটি শুধু অর্থ আদায় বিষয় নয়, বর্জ্য সংগ্রহের পর তা কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন বা এসটিএসের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সঠিকভাবে চলছে কি না, সেটিও তদারকির আওতায় আনা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন