প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাতার জানিয়েছে যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ অবসানের প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারীরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন যে দুই দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে, কিন্তু তেহরান তা অস্বীকার করেছে।
গত সোমবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সাথে এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা এই মুহূর্তেই চলছে। এটি ইরানের জন্য একটি ভালো চুক্তিতে সই করার শেষ সুযোগ। তিনি বলেছেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের অনুরোধে এই আলোচনা হচ্ছে। তবে ইরানের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করছেন না।
তারা কেবল হরমুজ প্রণালি সম্পর্কে ওমানের সাথে কথা বলছেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেছেন, কূটনৈতিক যোগাযোগ ‘অত্যন্ত অগ্রসর পর্যায়ে’ পৌঁছেছে। তিনি জানান, কাতার, পাকিস্তান ও ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীরা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে খসড়া প্রস্তাবের আদান-প্রদানে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।
পাকিস্তানের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘নেপথ্যে অনেক কিছুই ঘটছে। আমরা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলছি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো, অন্তত আলোচনা শুরু করার জন্য দুই পক্ষকে রাজি করানো।’
এদিকে, ওমানের উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি পণ্যবাহী জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের হামলার খবর দিয়েছে ইউকেএমটিও। রিপোর্ট অনুযায়ী, জাহাজটির নাবিকদের সেটি ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে এবং একজন নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ওমানের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হবে। কিন্তু গত সপ্তাহে ওমানের একটি প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের এক সূত্র জানিয়েছে, তারা প্রণালির ভেতরে আসা জাহাজগুলোর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন