প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে গিয়ে বাংলাদেশ নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে পরাজিত করে দুই ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে যায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে দ্বিতীয় টেস্টে ম্যাকেতে ইনিংস ও ৫১ রানের জয় নিয়ে সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ করে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার পেসার জশ হ্যাজলউডের কাছে সিরিজ ড্র হলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ করতে না পারার আক্ষেপ রয়ে গেছে। সিডনিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এক অনুষ্ঠানে তিনি মন্তব্য করেন, সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে জেতার প্রত্যাশা ছিল তাদের।
হ্যাজলউড বলেন, “বাংলাদেশ সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করাটা প্রত্যাশিত ফল ছিল না। অবশ্যই আমরা ২-০ ব্যবধানে জিততে চেয়েছিলাম।”
ডারউইনের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের পেছনে হাসান মাহমুদের অসাধারণ বোলিং এবং তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরির বড় ভূমিকা ছিল। হাসান ৯ উইকেট নেন এবং তানজিদ ১০১ রান করেন। এছাড়া, মেহেদী হাসান মিরাজও ব্যাট ও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। ম্যাকেতে বাংলাদেশ দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট হয়। প্রথম ইনিংসে তারা মাত্র ৬৪ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রান করে শান্তর দল। ফলে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৫১ রানের বিশাল জয় পায়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শরীফুল ইসলাম দুই ইনিংসে মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন।
হ্যাজলউড বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, ডারউইনে শুরু থেকেই বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছিল এবং অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছিল। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাদের কিছুটা সময় লেগেছিল। তবে ম্যাকেতে স্বাগতিকরা নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে।
সিরিজের দুই ম্যাচে হ্যাজলউডও কার্যকর ছিলেন। ডারউইনে প্রথম টেস্টে তিনি ৭ উইকেট নেন এবং দ্বিতীয় টেস্টে একটি উইকেট পান।
সিরিজ ড্র হলেও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পেয়েছে দুই দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপ নিয়েই অস্ট্রেলিয়া এখন পরবর্তী চ্যালেঞ্জের দিকে তাকিয়ে আছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন