প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুকুরের পানিতে মাছের বিচরণ, আর সেই মাছ চাষেই বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবন। একই সঙ্গে মৎস্যসম্পদ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে কুইজ প্রতিযোগিতায় মেধার পরিচয় দিয়েছে দীঘিনালার শিক্ষার্থীরা। সফল মৎস্যচাষি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননার মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় দীঘিনালা উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সফল মৎস্যচাষি ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরৎ কুমার ত্রিপুরা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, মৎস্যচাষি ও উপজেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে তিন মৎস্যচাষিকে পুরস্কার দেওয়া হয়। তারা হলেন—দীঘিনালা ইউনিয়নের হেডম্যানপাড়ার চিম চিম চাকমা, মেরুং ইউনিয়নের উত্তর রশিকনগরের মো. হাতেম আলী এবং বোয়ালখালী ইউনিয়নের পোমাংপাড়ার ঝিনু রায় পোমাং।
অন্যদিকে মৎস্যসম্পদ ও মাছ চাষ বিষয়ে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তিন শিক্ষার্থীকেও পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলো—দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ক্রিস্টিনা চাকমা ও সপ্তর্ষি বড়ুয়া নিশি এবং দীঘিনালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মনিতা চাকমা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাছ শুধু খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে না, দেশের অর্থনীতি ও মানুষের কর্মসংস্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করা সম্ভব।
সফল মৎস্যচাষিদের সম্মাননা দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় সম্পৃক্ত করার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, একদিকে সফল চাষিদের উৎসাহিত করা হয়েছে, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে মৎস্যসম্পদ সম্পর্কে জ্ঞান ও আগ্রহ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে মৎস্যচাষিরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং আধুনিক মাছ চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শিক্ষার্থীরাও ভবিষ্যতে মৎস্যসম্পদ ও কৃষিভিত্তিক কর্মকাণ্ডে আরও আগ্রহী হওয়ার কথা জানায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন