প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীতে ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ায় চলন্ত রিকশা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হওয়ার চারদিন পর একজন নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত সোহেলি ইসলাম, যিনি মেয়েকে নিয়ে বাসায় ফেরার সময় এই ঘটনার শিকার হন। গত রবিবার ভোরে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর, চারদিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের কথায় জানানো হয়েছে, সোহেলি ইসলাম বাস থেকে নেমে রিকশায় করে মেয়েকে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই ছিনতাইকারী তার হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ টানতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তিনি চলন্ত রিকশা থেকে নিচে পড়ে যান। সেই ঘটনায় তার ডান হাত ভেঙে যায় এবং মাথার পেছনে গুরুতর আঘাত লাগে। তাঁর কান দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করে।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তারপর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত সোহেলির বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায়। তিনি এসকেএফ ওষুধ কোম্পানিতে মেডিক্যাল সার্ভিস অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ঢাকার ধানমন্ডির গ্রীন রোড সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্বজনরা জানান, কয়েক দিন আগে পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মেয়েসহ তিনি পার্বতীপুরে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে শনিবার রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে রবিবার ভোরে গাবতলীতে নামেন। সেখান থেকে রিকশায় বাসায় ফেরার পথে ছিনতাইকারীর হামলার শিকার হন।
সোহেলির বোনের স্বামী তরিকুল ইসলাম জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি অনেকের কাছে সাহায্য চাইতে থাকেন কিন্তু প্রথমে কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেননি। পরে রিকশাচালকসহ একজনের সহায়তায় হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়। তখন সোহেলি কথা বলতে পারছিলেন না।
এ ঘটনায় বর্তমানে থানায় কোনো মামলা হয়নি। স্বজনরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন