প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লোডশেডিং, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উল্লেখ করে, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন যে, সরকারের ১৮০ দিন অপরিকল্পিত এবং অব্যবস্থাপনার কারণে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। তাদের ওপর জনআস্থা তলানিতে ঠেকেছে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং চলমান কর্মসূচি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ আরও বলেন, ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে লংমার্চে অংশ নেবে এবং ৭০ শতাংশ মানুষ যারা হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আমরা আশা করছি তারা এতে অংশ নেবেন।
তিনি বলেন, ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একদিকে চাঁদাবাজি এবং অন্যদিকে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাচ্ছে না মানুষ। আবার কৃষকরা সার পাচ্ছেন না। কিন্তু সরকার তাদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার না করে ১৮০ দিনের সাফল্য দেখাচ্ছে, এটি প্রতারণা। তাদের উচিত ব্যর্থতার জন্য ক্ষমা চাওয়া।
তিনি উল্লেখ করেন যে, তাদের ওপর জনআস্থা তলানিতে ঠেকেছে এবং বিপ্লব পরবর্তী অবস্থার চেয়েও কিছু ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তাদের ১৮০ দিন পুরো অব্যবস্থাপনায় ভরা; বেশির ভাগ মন্ত্রীই ব্যর্থ। তাদের কোনো পরিকল্পনা নেই। তাদের কারণে দেশবাসী ভোগান্তির মধ্যে রয়েছে। প্রয়োজনে বিরোধী দল সরকারকে নীতিগত সহায়তা দেবে বলেও জানান নাহিদ।
এ সময়, আওয়ামী লীগকে প্রেস ব্রিফিং করতে দেয়ার কারণে ভারত সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে এই মন্তব্যও করেন এনসিপির আহ্বায়ক।
বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই সরকার ৬ মাসে কোনো কর্মসংস্থান করতে পারেনি এবং নজিরবিহীনভাবে দলীয়করণ করেছে। তারা জুলাই সনদ, গণভোট বা তাদের (বিএনপি) ৩১ দফার কোনোটাই মানছে না। তাই সংসদের বাইরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রয়োজন আমরা বোধ করছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন