প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাভারের মোফাজ্জল-মোমেনা চাকলাদার মহিলা ডিগ্রি কলেজের নিয়মিত গভর্নিং বডির মেয়াদ ৮ মাস বাকি থাকতে, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতি বিষয়ক কারণে, স্থানীয় এমপির স্ত্রীকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগের আদেশ স্থগিত করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সোমবার (৩ আগস্ট) এই আদেশটি প্রদান করা হয়।
রিট আবেদনের বিস্তারিত বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানকে দুই বছরের জন্য কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
এর ফলে, উক্ত গভর্নিং বডির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালের ২৪ এপ্রিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আট মাস আগে ২৩ জুলাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক কর্তৃক সভাপতির পরিবর্তনের একটি আদেশ জারি করা হয়।
নতুন সভাপতি হিসেবে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর স্ত্রী সাবিনা সিদ্দিকাকে নিযুক্ত করা হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষের অজান্তে এমন একটি হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্থানীয় এমপির স্বজনপ্রীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বিষয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এই আদেশ পাওয়ার পর ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানের পক্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার এবং কলেজ পরিদর্শক বরাবর আইনি নোটিশ প্রেরণ করা হয়। নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সভাপতির পরিবর্তনের আদেশ প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়। কিন্তু নোটিশের কোনো সদুত্তর না আসায় তিনি মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।
এই রিট পিটিশনে বিবাদী করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক এবং সাভারের মোফাজ্জল-মোমেনা চাকলাদার কলেজের অধ্যক্ষকে। ব্যারিস্টার শিহাবের পক্ষে আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নূর উল মতিন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন