প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ বা পতাকা মিছিলের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গঠন করা হয়েছে। শুক্রবারের (১৬ অক্টোবর) এই কর্মসূচির জন্য নয়াদিল্লি ও এর আশপাশের এলাকায় ২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ক এবং রাজীব চক মেট্রো স্টেশনে নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। বিক্ষোভ প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞাও জারি রয়েছে। খবর এনডিটিভির।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই মিছিলের আয়োজন করেছে সিজেপি।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে দলের নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানাতেও এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে আর নির্ধারিত না রাখায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জমায়েতের আহ্বান জানিয়েছে দলটি। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেত্রী নেহা বোরা এবং আম আদমি পার্টির (আপ) সদস্যদেরও এতে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মিছিলের আগে সেন্ট্রাল পার্কে জমায়েত না করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে, নয়াদিল্লি পৌর পরিষদ (এনডিএমসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রশাসনিক কারণে শুক্রবার ও শনিবার পার্কটি জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। পরিকল্পিত বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। বৈঠকে পুলিশের যুগ্ম কমিশনার ও নয়াদিল্লি জেলার উপকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়।
এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আপাতত মেট্রো পরিষেবা বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এটিকে শেষ বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে দিল্লি পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপকমিশনার নেহা যাদব জানান, শান্তি বজায় রাখা এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ও মানুষের জীবন রক্ষায় কনট প্লেসসহ আশপাশের এলাকায় ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারায় এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য নির্বাচিত কয়েকজনকে উপযুক্ত কোনো স্থানে কর্মসূচি পালনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
এদিকে, আগে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকা সেন্ট্রাল পার্কের প্রবেশপথে নতুন ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। রাজীব চক মেট্রো স্টেশনের ১ ও ৩ নম্বর গেটেও অতিরিক্ত ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। বিক্ষোভ চলাকালে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন