মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:১৩ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন শারদীয় দুর্গোৎসব সুন্দরভাবে পালন করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রধান গেট ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য দেন।
আব্দুস সালাম উল্লেখ করেন যে, যেসব মন্দিরের পাশে রাস্তা সংস্কারের প্রয়োজন ছিল, সেই সব রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। যেখানে লাইট ও ড্রেনেজের সংস্কারের প্রয়োজন ছিল, সেখানে সেসব কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পূজার দিনগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পূজামণ্ডপের দায়িত্ব পালন করবেন।
আব্দুস সালাম আরও জানান যে, তেলেগু ও কানপুরি সম্প্রদায়ের প্রায় ৬৮০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ঈদ বোনাস দেওয়ার পাশাপাশি দুর্গাপূজা উপলক্ষেও বোনাস প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া, সবাই যেন সুন্দরভাবে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সেই জন্য এবার সরকার দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা করেছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিশ্বনাথের প্রবাসীদের সংগঠন বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ২০২৬ সালের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে গুলজার খান সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মহব্বত শেখ এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে মনির আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দুটি প্যানেলের ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সভাপতি পদে গুলজার খান ৩৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মিছবা উদ্দিন পান ৩৫৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মহব্বত শেখ ৩৮৯ ভোট পেয়ে আব্দুল কুদ্দুসকে (৩৪৪) পরাজিত করেন। কোষাধ্যক্ষ পদে মনির আহমেদ ৩৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী নেছার আলী লিলু পান ৩৪৯ ভোট।
সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আখলাকুর রহমান (৪৩৫ ভোট) ও আজম খান (৪২৭)। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আব্দুর রহিম রঞ্জু (৪১৬) ও শরিফুল ইসলাম (৩৯৪)। সহকোষাধ্যক্ষ পদে আবুল হোসেন মামুন (৪০০), প্রেস অ্যান্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি পদে দৌলত হোসেন (৪১৩) এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মদরিছ আলী মফজ্জল (৩৯২) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
সাত সদস্যের নির্বাহী কমিটিতে সর্বোচ্চ ৪৫১ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন আজিজুর রহমান খান রাজু। অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন আমিনুর রহমান, আব্দুল বাছিত রফি, শাহ তাজুল ইসলাম, রুহেল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান ও আজিজুর রহমান রুমেল।
নির্বাচনে জয়ী হয়ে সভাপতি গুলজার খান মন্তব্য করেন, ট্রাস্টিদের আস্থা তার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্ব। তিনি শিক্ষাবৃত্তির কার্যক্রম সম্প্রসারণ, সংগঠনের ঐক্য বজায় রাখা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন।
সাধারণ সম্পাদক মহব্বত শেখ জানান, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান। কোষাধ্যক্ষ মনির আহমেদ আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে আসছে। সংগঠনটির বর্তমান ট্রাস্টির সংখ্যা ৮০৮। নতুন নেতৃত্বের কাছে শিক্ষাবৃত্তির পরিধি বাড়ানো, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন ট্রাস্টিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘তাকে (ইশরাক হোসেন) প্রধানমন্ত্রী ডেকে পাঠিয়েছিলেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তার পদত্যাগপত্রও চেয়েছেন। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে যান এবং সেই কর্মকর্তার সহায়তায় পদত্যাগপত্রের খসড়া তৈরি করেন। ডেইলি ওয়াদা এ তথ্যগুলো নিশ্চিত করতে পেরেছে।’
সাবেক প্রেস সচিব আরও লেখেন, ‘এর পরই গল্পের মোড় ঘুরতে শুরু করে। মনে হচ্ছিল, তিনি সিদ্ধান্তটি বদলে দেওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রী দিনভর ব্যস্ত ছিলেন এবং রাত ১১টার দিকে তার দিনের কাজ শেষ করেন। তবুও কেউ কেউ আশা করছিলেন যে, তিনি হয়তো পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। কিন্তু তারেক রহমান কম কথার মানুষ এবং আবেগ প্রকাশেও বেশ সংযমী।’
শফিকুল আলমের শঙ্কা, তার (ইশরাক হোসেন) প্রেস কর্মকর্তার জারি করা বিবৃতিটি মনে হচ্ছে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাত প্রবাহিত করার শেষ মুহূর্তের চেষ্টারই অংশ। তবে কদিন আগে ফেরদৌসী মিষ্টি যেমনটি বুঝতে পেরেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী একবার সিদ্ধান্ত নিলে সেখান থেকে পিছু হটার আর কোনো সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে নিয়ে ফেসবুকে ছড়ানো একটি ফটোকার্ডকে ভুয়া ও মিথ্যা দাবি করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি। দুর্গাপূজা নিয়ে এই ফটোকার্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার, সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার কারণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ফেসবুকে ‘জোবায়দা রহমান’ নামের একটি আইডি থেকে ‘দুর্গাপূজা শুধু হিন্দুদের নয়, এটি আমাদেরও: জামায়াত নেতা তাহের’ শিরোনামে একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে। এই ফটোকার্ডটিকে মিথ্যা ও ভুয়া দাবি করে তিনি এর তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান যে, এ ধরনের প্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়া উচিত।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়ে বানোয়াট তথ্য প্রচার এবং তাদের সম্মানহানি করার চেষ্টা থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকা উচিত। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই শহীদদের স্মরণে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার এই বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার, দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের দাওয়াতপত্রে সরকারের সমস্ত অতিথির নাম উল্লেখ থাকলেও মন্ত্রীর পদমর্যাদার বিরোধীদলীয় নেতার নাম সেখানে ছিল না। তিনি প্রশ্ন করেন, তাহলে তিনি সেখানে কীভাবে উপস্থিত হবেন? দর্শক সারিতে বসার বিষয়টি উল্লেখ ছিল না।
এর আগে, সোমবার রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের ফলক উন্মোচন এবং আধুনিকায়ন করা ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, যাদের আত্মত্যাগের কারণে বিরোধী দলের নেতারা আজ বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, সেই শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে তাদের থাকা উচিত ছিল।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "বিরোধিতা করার জন্যই বিরোধিতা করলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।" সংসদে বিরোধী দল অবশ্যই বিরোধিতা করবে, তবে সেই বিরোধিতা গঠনমূলক হতে হবে। পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে থেকে গেলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ