প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, সার নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি বা কৃষকদের হয়রানি বরদাশত করা হবে না। তিনি বলেন, "সার নিয়ে কেউ ঝামেলা করলে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।"
নীতিমালার আওতায় আসল কৃষকের কাছে সার বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি দেখা যায়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ডিলারশিপ বাতিল করা হবে এবং কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা পরিষদ হল রুমে আয়োজিত সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ডিলারদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা জানি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অনেকেই দলীয় প্রভাবে সার ডিলার হয়েছেন।"
তিনি উল্লেখ করেন যে, তারা অনেক সময় অযথা ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। বর্তমান সময়ে তাদের মধ্যে অনেকেই এখনও ব্যবসায় সক্রিয় আছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদ সভায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, "কাউকে অযথা বাদ দেওয়ার দরকার নেই।" সঠিকভাবে নিয়মনীতির মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করলে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা হবে না।
তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি কেউ অযথা দুষ্টুমি বা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করেন, তাহলে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। বর্তমান সরকার অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে এবং সারা দেশে চাহিদার তুলনায় সারের কোনো অভাব নেই।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতের সভাপতিত্বে সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাউদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈমা সুলতানা, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এনামুল হক বাবুল উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সভায় নান্দাইল উপজেলার ২৪ জন সার ডিলার ও ইউনিয়ন পর্যায়ের খুচরা বিক্রেতারাও উপস্থিত ছিলেন। উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত সার ডিলার ও কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন এবং মাঠ পর্যায়ে সার বিতরণ ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও গতিশীল রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়মিত তদারকি করার নির্দেশ দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন