প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে সরকার ভেঙে দেওয়ার পর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদির অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) তাকে আটকের অভিযোগ তুলেছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) জুনায়েদ আকবরসহ আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
রোববার, কেন্দ্রীয় সরকার খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দেয়। এ সময় সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করে গভর্নরের শাসন চালু করা হয়। এর ফলে ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের নেতৃত্বাধীন প্রাদেশিক সরকারের কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ৪ অক্টোবর খাইবার পাখতুনখাওয়া থেকে রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করে পিটিআই। শনিবার এই কর্মসূচির সপ্তম দিন ছিল। ওই দিনও মিছিলটি প্রদেশের ভেতরেই ছিল।
পিটিআইয়ের প্রাদেশিক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী শাফি জান অভিযোগ করেছেন, লংমার্চ চলাকালে সোহেল আফ্রিদিকে আটক করা হয়েছে। তিনি জানান, আটকের সময় আফ্রিদি তার সঙ্গে ছিলেন। তবে এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি ডনের পক্ষ থেকে।
পিটিআইয়ের খাইবার পাখতুনখাওয়া শাখার নেতা শহিদ খাত্তাকও অভিযোগ করেছেন, জুনায়েদ আকবরসহ দলের আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি জানান, লংমার্চে তিনি নেতৃত্ব দেবেন।
পিটিআইয়ের নেতারা এসব আটকের ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাদের অভিযোগ, নির্বাচিত নেতৃত্বকে দুর্বল করা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
দলটির মুখপাত্র শেখ ওয়াকাস আকরাম বলেছেন, প্রদেশে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির ঘটনা থেকে আটকের অভিযোগকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। তার ভাষ্য, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানকে পাশ কাটিয়ে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া সাংবিধানিক কর্তৃত্বকে দুর্বল করে। তিনি আটক নেতাদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
পিটিআইয়ের মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা দলের আনুষ্ঠানিক এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওতে বলেন, “সোহেল আফ্রিদি কোথায় আছেন, তাকে কী অবস্থায় রাখা হয়েছে—আমরা কিছুই জানি না। জুনায়েদ আকবরেরও কোনো খোঁজ নেই।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালাল চৌধুরী অবশ্য বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সোহেল আফ্রিদি আছেন কি না, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। তালাল চৌধুরীর ভাষ্য, যাদের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই এবং যারা পুলিশের খোঁজের তালিকায় নেই, তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন