ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহজালাল বিমানবন্দরে জামায়াতের চার এমপির হয়রানি, লিখিত অভিযোগ


শাহজালাল বিমানবন্দরে জামায়াতের চার এমপির হয়রানি, লিখিত অভিযোগ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে লাগেজ নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চারজন সংসদ সদস্য।

এই সংসদ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন শেরপুর-১ আসনের রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, ঢাকা-৫ আসনের মোহাম্মদ কামাল হোসেন, গাজীপুর-৪ আসনের সালাহউদ্দিন আইউবী এবং খুলনা-২ আসনের জাহাঙ্গীর হুসাইন।

তাদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে মদিনা থেকে ঢাকায় অবতরণ করে বিমানের বিজি৩৩৮ ফ্লাইটটি। কিন্তু বেশির ভাগ যাত্রী তিন ঘণ্টা পরও ট্যাগযুক্ত লাগেজ বুঝে পাননি।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ঢাকা জেলা আ.লীগ নেতা আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার

এ ঘটনায় যাত্রীদের হয়রানি, লাগেজ যথাযথভাবে বুঝিয়ে না দেওয়া এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তুলে তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

বিমান পরিচালনার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর করা ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজি৩৩৮ (মদিনা-ঢাকা) ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের মধ্যে বেশির ভাগই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তাদের ট্যাগযুক্ত লাগেজ পাননি। এই যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন সংসদ সদস্য ছিলেন। লাগেজ না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও যৌক্তিক কারণ জানানো হয়নি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে যাত্রীদের মধ্যে ভোগান্তি ও হয়রানি সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, লাগেজ বুঝে না পেয়ে যাত্রীরা দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। অভিযোগকারীরা বিষয়টি দ্রুত সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন ওই অভিযোগের কপির ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছেন। তিনি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, "শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? আজ সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে অবতরণ করা বিজি৩৩৮ ফ্লাইটের সাধারণ যাত্রীদের পক্ষ হতে যাত্রী হয়রানি, মালামাল যথাযথভাবে বুঝিয়ে না পাওয়া ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে আমরা ৪ জন জাতীয় সংসদ সদস্য বিমান কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ দাখিল করলাম।"

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার কথা শুনে ব্যথিত হয়েছি: ইশরাক হোসেন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ অভিযোগের কপি পেয়েছে বলে বিমান সূত্র নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১০৫ ফিলিস্তিনির দাফনের প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১০৫ ফিলিস্তিনির দাফনের প্রস্তুতি

গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলার ফলে নিহত ১০৫ জন ফিলিস্তিনির মৃতদেহ উদ্ধার করে দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের আত্মীয়স্বজন ও উদ্ধারকারীরা। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকৃত মৃতদেহগুলোর কফিন নিয়ে একটি শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেগুলো গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত শেখ রাদওয়ান কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর। গাজা সিটির ইয়ারমুক স্কয়ার এলাকায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী অন্তত ২০টি বোমা ফেলেছিল। এই প্রাণঘাতী হামলায় ‘আল তাজ ৩’ নামক একটি ৭ তলা আবাসিক ভবনসহ একাধিক বহুতল ভবন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।

গাজার সিভিল ডিফেন্স অপারেশনস ডিরেক্টর আব্দুল আল-মাজদালাউই জানিয়েছেন, হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে পৌঁছানো ছিল একেবারেই অসম্ভব। তিনি বলেন, "উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত বুলডোজার, এক্সকাভেটর এবং ভারী যন্ত্রপাতিগুলোকে ইসরায়েলি বাহিনী সরাসরি ও পরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছিল, যার ফলে লাশগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।"

হারিয়ে গেছে পুরো পরিবার

পরবর্তীতে মিসরীয় কমিটির সহযোগিতায় এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর এই মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর আল জাজিরার প্রতিনিধির বরাতে জানা যায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের পর লাশ উদ্ধারের দিক থেকে এটি পঞ্চম বৃহত্তম অভিযান।

এই ভয়াবহ হামলায় নিজের পরিবারের ৩৭ জন সদস্যকে হারিয়েছেন ওসামা শরাফ। ক্ষোভ ও কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি বলেন, "যুদ্ধের শুরুর দিকে আমরা কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছিলাম। আর আজ আমার বাবা, মা, ভাইবোন ও ভাগ্নেসহ আরও ১৬ জনের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় সড়কে বিকল ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


কুষ্টিয়ায় সড়কে বিকল ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত ২

কুষ্টিয়ার মিরপুরে একটি পাখিভ্যানে বাসের ধাক্কায় চালকসহ দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদরাসার সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া স্বস্তিপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী হাসেম আলীর স্ত্রী ভানুমতি। এ ঘটনায় ভানুমতির মেয়ে হাসিনা গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভানুমতি সম্প্রতি নওদা আজমপুরে তার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে পাখিভ্যানটি কয়েকজন যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে সেটি সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে আসা মেহেরপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটিকে সজোরে চাপা দেয়। বাসের ধাক্কায় ভ্যানটি পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই যাত্রী ভানুমতির মৃত্যু ঘটে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে আমলা পুলিশ ক্যাম্প ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং গুরুতর আহত চালক কামরুল ও যাত্রী হাসিনাকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন জানান, গুরুতর আহত ভ্যানচালক কামরুল ইসলামকে হাসপাতালে আনার পর আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল, তবে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু ঘটে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন, পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেলুদা, হিমু ও বাকের ভাই হতে চান মীর রাব্বি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


ফেলুদা, হিমু ও বাকের ভাই হতে চান মীর রাব্বি

ভিকি জাহেদের ‘বিষ পাখি’ নাটকে অভিনয় করার মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন অভিনেতা মীর রাব্বি। তিনি জানিয়েছেন, নায়ক হওয়ার চেয়ে ভালো ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করার প্রতি তাঁর আগ্রহ বেশি। তাঁর মতে, যদি একটি চরিত্র দর্শকের কাছে আলাদা করে ধরা দিতে পারে, তবে সেটি একজন অভিনেতার জন্য একটি বড় প্রাপ্তি।

অভিনয়ের প্রস্তুতি নিয়ে মীর রাব্বি আরও কথা বলেছেন। তিনি জানান, শুটিংয়ের বাইরে থাকলেও বিভিন্ন ধরনের সিনেমা ও দৃশ্যশ্রাব্য কাজ দেখেন, পড়াশোনা করেন এবং পুরোনো পছন্দের সিনেমাগুলো নিয়মিত দেখেন। একই সিনেমা ভিন্ন বয়সে দেখলে নতুন নতুন উপলব্ধি করা যায়, এমনটাই মনে করেন তিনি।

কোন চরিত্রগুলোতে অভিনয়ের ইচ্ছা রয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে মীর রাব্বি জানান, শার্লক হোমসের চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা তাঁর দীর্ঘদিনের। তিনি সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা এবং হুমায়ূন আহমেদের হিমু ও বাকের ভাই চরিত্রেও অভিনয় করতে চান। অভিনয়ে আসার আগে থেকেই এসব চরিত্রের প্রতি তাঁর আলাদা আকর্ষণ রয়েছে।

সম্প্রতি অসুস্থতার কারণে প্রায় দুই মাস শুটিং থেকে দূরে ছিলেন এই অভিনেতা। তিনি জানান, জন্ডিস ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ওই সময় কাজ থেকে দূরে থাকায় কিছুটা অনীহা তৈরি হয়েছিল। তবে পরে আবার তরুণ নির্মাতাদের সঙ্গে স্বাধীন ধারার সিনেমা, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটকে কাজ শুরু করেছেন।

বর্তমানে মীর রাব্বির হাতে বেশ কয়েকটি সিনেমা রয়েছে। ‘বকুলের বুকে রক্তকরবী’, ‘কূরকাব’ ও ‘দুঃসাহস’-এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, আবার কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়ার প্রস্তুতিতে রয়েছে। পাশাপাশি তিনি সাজিন আহমেদের ‘পছন্দ হয়নি কিন্তু ভালোবাসি’ নাটকেও কাজ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


মৌলভীবাজারে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি ও হয়রানি করার অভিযোগে জেলা পরিষদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকারের’ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে প্রেসক্লাবের সামনে জেলা পরিষদের ঠিকাদারদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন ঠিকাদার তোফায়েল ইসলাম তোহেল, আনিছুজ্জামান বায়েছ, আতাউর রহমানসহ অন্যান্যরা।

লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন আওয়ামী ঘরানার ব্যক্তি। তিনি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের উন্নয়নবিরোধী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত। এছাড়া, তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত কমিশন গ্রহণকারী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ঠিকাদারদের তার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ না করলে বিভিন্নভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে টাকা দাবি করেন, নতুবা কাজের ফাইল আটকিয়ে রাখেন।

জেলা পরিষদের আওতাধীন জলমহাল ও বিভিন্ন দোকান কোঠা থেকে উচ্চমান সহকারী এনামের মাধ্যমে মাসুরা উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। জেলা পরিষদের ডাক বাংলার স্টাফদের মধ্যে যে অতিরিক্ত টাকা প্রদান করবে, তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তার অনেক ফাইল পর্যালোচনা করলে ভূয়া বিল ও ভাউচার অনুযায়ী অনেক টাকা উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া যাবে।

আওয়ামী আমলে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমানের সহযোগিতায় তারা জেলা পরিষদকে একটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। এর ফলস্বরূপ, আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিস্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার তার একক কর্তৃত্ব ও চাঁদাবাজি পার্সেন্টিজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি ঠিকাদারদের সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করিয়ে তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে আইটেম পরিবর্তন করে কাজ করান, যা বেআইনী এবং ২০২৪ সালের পিপিআর আইন লঙ্ঘন করে। পরবর্তীতে বিল আটক করে পার্সেন্টিজ আদায় করেন।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার জানান, ঠিকাদারদের মানববন্ধন করে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি ঠিকাদারদের বিলের বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করছেন।

বক্তারা আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জেলা পরিষদ থেকে শান্তিপূর্ণ বদলির জোর দাবি জানান। পরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এছাড়া, ঠিকাদাররা শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংসদ সদস্য, সংস্থাপন মন্ত্রণালয় ও সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%