প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে। মনোনয়ন ঘোষণার পর তিনি দলের মহাসচিব ও মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সবকিছু সঠিক থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে শপথ নিতে হবে। তবে এসবের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন সামনে এসেছে এবং তা হল, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন কে?
বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, যিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন। সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলে তার সংসদীয় কার্যাবলি ডেপুটি স্পিকার পালন করেন। অন্যদিকে, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তৃতীয় তফসিলে উল্লেখিত পদে দায়িত্ব গ্রহণের আগে নির্ধারিত শপথ নিতে হয়। এ তফসিলে রাষ্ট্রপতির শপথ পড়ানোর দায়িত্ব স্পিকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
এই সাংবিধানিক কাঠামো অনুসারে, যেহেতু স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন, তাই সংসদের স্পিকারের কার্যাবলি পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
অতএব, যদি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, তাহলে তার শপথ পড়ানোর দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের উপর বর্তাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কায়সার কামাল এর আগে বিএনপির আইন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে বিএনপির সাবেক আইন সম্পাদকের কাছ থেকেই শপথ নেবেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব বদলের এই পর্বে বিএনপির দুই নেতাকে ঘিরে একটি ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
তবে শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন