প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আধুনিক যুগে প্রেমের সম্পর্কের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। ডেটিং অ্যাপের প্রভাবে পছন্দের মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু এর সঙ্গে বিভ্রান্তির পরিমাণও বেড়েছে। অভিনেত্রী ঐশ্বর্য লক্ষ্মীর মতে, বর্তমানে মনের মতো মানুষ খুঁজে পাওয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে প্রেম, ডেটিং অ্যাপ এবং আধুনিক সম্পর্ক নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। তার মতে, মানুষের সামনে এখন অনেক বেশি বিকল্প থাকলেও সঠিক মানুষটিকে বেছে নেওয়া সহজ নয়।
ঐশ্বর্য মন্তব্য করেন, ডেটিং অ্যাপে অসংখ্য বিকল্প থাকার কারণে অনেক সময় মানুষ বুঝতে পারেন না কোন পথে এগোবেন। শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকেই এমন একজন মানুষকে খোঁজেন, যাকে নিজের মানুষ বলে মনে হবে। আর সেই খোঁজ এখন আগের চেয়ে বেশি বিভ্রান্তিকর হয়ে উঠেছে।
আধুনিক সম্পর্কের নতুন শব্দগুলো নিয়েও মজা করেন অভিনেত্রী। ‘সিচুয়েশনশিপ’, ‘ন্যানোশিপ’সহ সম্পর্কের নানা নতুন সংজ্ঞা নিয়ে তার মন্তব্য, প্রেমের বিষয়টি এখন অনেক বেশি জটিল হয়ে গেছে। এমনকি ‘বিঞ্জিং’ শব্দটিও সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, জেনে তিনি অবাক হয়েছেন বলে জানান।
তবে সময়ের সাথে প্রেম সম্পর্কে তার ধারণাও পরিবর্তিত হয়েছে ঐশ্বর্যর। তার কাছে প্রেম এখন মানে স্বস্তি, নিরাপত্তা এবং অন্য একজন মানুষের সামনে নিজের মতো করে থাকতে পারা।
অভিনেত্রী বলেন, সঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি প্রথমে ‘কম্প্যাটিবিলিটি’ বা মানসিক সামঞ্জস্যকে গুরুত্ব দেন। প্রথম কথোপকথন থেকেই এমন একটি স্বস্তি থাকা প্রয়োজন, যেখানে নিজের কথা নির্ভয়ে বলা যায় এবং অন্যজন সেটিকে বিচার না করে গ্রহণ করেন।
ঐশ্বর্যর কাছে সম্পর্কের মধ্যে বন্ধুত্বও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, স্বামী-স্ত্রীর আগে দুজনের ভালো বন্ধু হওয়া জরুরি। আশপাশের অনেক দম্পতিকে তিনি দেখেছেন, যাদের সম্পর্কের ভিত্তি বন্ধুত্ব এবং সেই কারণেই তাদের দাম্পত্য ভালো চলছে।
প্রেমের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের কথাও জানান অভিনেত্রী। পর্দায় তিনি অনেক সময় তীব্র ও আবেগঘন প্রেমের গল্পে অভিনয় করলেও বাস্তব জীবনে এমন সম্পর্ক তার পছন্দ নয়।
নিজের অভিনীত ‘মায়ানাদি’ ছবির কথা উল্লেখ করে ঐশ্বর্য জানান, ছবিটি একজন অভিনেতা হিসেবে তার ভাবনাকে অনেকটাই প্রভাবিত করেছে। বাস্তব আবেগনির্ভর প্রেমের গল্পে কাজ করতে তিনি এখনও আগ্রহী। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি সহজ, স্বস্তিদায়ক ও সুখী প্রেমের গল্পই পছন্দ করেন।
ঐশ্বর্যর ভাষায়, তীব্র ও কষ্টভরা প্রেমের গল্প পর্দায় যতই স্মরণীয় হোক, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এমন সম্পর্ক থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে চান। তার পছন্দের প্রেমের গল্পের শেষটা বরং হোক সুখের।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন