প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) টাঙ্গানিকা হ্রদে একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহণমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোইয়ি জানিয়েছেন, নৌকাটিতে থাকা বাকি যাত্রীদের সন্ধানে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয় মাপেরা গ্রামের নিকট নৌকাটি ডুবে যায়। জানা গেছে, নৌকাটিতে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ও পণ্য ছিল।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে ডিআরসির কালেমি শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল নৌকাটি। চলাকালীন এটি ডুবে যায়।
উদ্ধার হওয়া যাত্রী অ্যানি মোয়োনি জাতিসংঘ-সমর্থিত কঙ্গোর সম্প্রচারমাধ্যম রেডিও ওকাপিকে জানিয়েছেন, রাত ১টার দিকে যাত্রীদের ঘুম থেকে জাগানো হয়। তখন তারা দেখতে পান, নৌকাটি একদিকে কাত হয়ে গেছে।
নৌকাটির ডুবির কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিআরসিতে নৌকাডুবির ঘটনায় শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির নৌযানগুলো প্রায়ই অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে এবং অনেক নৌকায় পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট নেই।
ডিআরসির বহু মানুষের জন্য নৌপথে যাতায়াতই সবচেয়ে সস্তা এবং সহজলভ্য যোগাযোগের মাধ্যম। বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে ডিআরসিতে ১০ কোটির বেশি মানুষের জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই।
কিগোমা-কালেমি নৌপথে এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয় কঙ্গোলিজ নৌযান দুর্ঘটনার ঘটনা।
রেডিও ওকাপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৮ আগস্ট কিগোমা বন্দরে জ্বালানি তোলার সময় কঙ্গোলিজ নৌযান এমভি প্যাসিফিকেতে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় নৌযানটির ছয়জন কর্মী নিহত হন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে গত জুলাইয়ে মধ্য ডিআরসিতে রাষ্ট্রীয় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু ঘটে।
সূত্র: আলজাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন