প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি আবাসিক এলাকায় একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ফলে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, উড়োজাহাজটির সব যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহণমন্ত্রী শন ডাফি। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, রোববার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে ক্রেস্টহেভেন এলাকার কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এই এলাকা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্র মার-আ-লাগো থেকে প্রায় ৯ মাইল (১৪ কিলোমিটার) দূরে অবস্থিত। মার-আ-লাগো ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টির অভিজাত এলাকায় রয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, আবাসিক এলাকার একটি সড়কে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে আগুনের চিহ্নও রয়েছে। বিমানটির ভাঙা অংশ, কংক্রিটের টুকরা এবং অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ সড়কের চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে।
এটিসি রেকর্ডিং এবং ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় পূর্ব দিকে যাওয়ার সময় পাইলটরা ঝাঁকুনি, বরফ জমা এবং বৃষ্টির কথা জানান। তারা আরও ২ হাজার ফুট ওপরে ওঠার অনুমতি চান। এরপর বিমানটি খাড়া নামতে শুরু করে। নামার গতি প্রতি মিনিটে ১০ হাজার ফুট থেকে বেড়ে ৩০ হাজার ফুট পর্যন্ত পৌঁছায়, যা বিমানটির নকশার সীমা ছাড়িয়ে যায়। শেষে ডানে তীব্র বাঁক নিয়ে সেটি মাটিতে আঘাত করে। সিএনএনের শোনা রেকর্ডিং অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কিছু আগে পাইলট বিমানে বরফ জমা, বাইরের তাপমাত্রা মাইনাস ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি ঝাঁকুনির কথা জানান।
দুর্ঘটনার পর ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ভিডিওটি দেখলে গা শিউরে ওঠে। মনে হয়, যেন একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিচে নেমে আসছে। এরপর বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে, চারদিকে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে।’
বিমানটিতে যাত্রীদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। ডিস্যান্টিস আরও বলেন, ‘এ পর্যন্ত মাটিতে থাকা কারও নিহত বা আহত হওয়ার খবর আমরা পাইনি।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন