ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কেন বারবার টানাপোড়েনের মুখে পড়ে ট্রাম্প ও ন্যাটোর সম্পর্ক?


কেন বারবার টানাপোড়েনের মুখে পড়ে ট্রাম্প ও ন্যাটোর সম্পর্ক?

তুরস্কে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন একটি সময়ে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘকাল ধরেই ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান বিতর্কিত বিষয় হয়ে উঠেছে। তিনি একদিকে যেমন জোটটির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন, অন্যদিকে আবার দাবি করেছেন যে, তার চাপের কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো প্রতিরক্ষা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। ৭৭ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ন্যাটো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত হয়। কয়েক দশকের সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো ঘনিষ্ঠভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। তবে ট্রাম্প বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন যে, ইউরোপের নিরাপত্তার প্রধান ব্যয় বহন করছে যুক্তরাষ্ট্র, অথচ ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশ সে তুলনায় যথেষ্ট দায়িত্ব পালন করছে না। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত ট্রাম্প ও ন্যাটোর সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর আগে ট্রাম্প ইউরোপীয় মিত্র কিংবা ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক পরামর্শ করেননি। পরবর্তীতে তিনি প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ন্যাটোর মিত্ররা অভিযানে অংশ নেয়নি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রত্যাশিত সহযোগিতা দেয়নি। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে মতবিরোধ আরও গভীর হয়। যদিও ইউরোপীয় দেশগুলো দাবি করে, যুদ্ধ শুরু করার আগে তাদের সঙ্গে কোনও ধরনের সমন্বয়ই করা হয়নি। ন্যাটো নিয়ে সমালোচনা করলেও ট্রাম্প প্রায়ই দাবি করেন যে, তার কঠোর অবস্থানের কারণে জোটভুক্ত দেশগুলো প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। তিনি একাধিকবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটোর সবচেয়ে বড় আর্থিক ও সামরিক বোঝা বহন করেছে। তাই সদস্য দেশগুলোরও নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরও বেশি নেওয়া উচিত। তবে সমালোচনার পাশাপাশি ট্রাম্প সময়ে সময়ে ন্যাটোর পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতিও নিজের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যা জোটের প্রতি তার অবস্থানকে অনেক ক্ষেত্রেই দ্বৈত বার্তা হিসেবে দেখা হয়। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নতুন বিতর্কও ট্রাম্প-ন্যাটো সম্পর্কের আরেকটি বড় বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ন্যাটোর সদস্য ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার দাবি ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ‘তারা পছন্দ করুক বা না করুক’, যুক্তরাষ্ট্র সেটি অধিগ্রহণ করবে। ট্রাম্পের এই বক্তব্যে ন্যাটো সদস্য দেশগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয় এবং জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরবর্তীতে ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারের বক্তব্য থেকে কিছুটা সরে এলেও, গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিরোধিতা করা দেশগুলোর বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপের হুমকি দেন। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে কূটনৈতিক দূরত্ব আরও বেড়ে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউরোপীয় নেতাদের অন্যতম লক্ষ্য হবে ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করা এবং জোটের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি অটুট রাখা। তবে ইরান যুদ্ধ, ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যয় এবং গ্রিনল্যান্ড ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চলমান মতবিরোধের কারণে ট্রাম্প ও ন্যাটোর সম্পর্ক এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে। ফলে এবারের সম্মেলনে ট্রাম্পের বক্তব্য ও অবস্থানের দিকেই সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দল হিসেবে অপরাধের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


দল হিসেবে অপরাধের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের সাথে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। আর এই কারণে তদন্ত কার্যক্রম চলছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার তিনি নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বললেন।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, "আওয়ামী লীগের সাথে প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা আছে বলেই তো তদন্ত শুরু হয়েছে। আমাদের তদন্ত টিম কাজ করতেছে। প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা তো আছেই। তদন্ত সম্পন্ন হওয়া তো সময়ের ব্যাপার।"

প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতার মধ্যে কি আছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "জুলাই আন্দোলনের মধ্যে দলগত তাদের সংশ্লিষ্টতা আছে। ব্যক্তিগত দায় আছে। সুপরিয়র দায় আছে। এগুলো নিয়েই আমাদের তদন্ত এগুচ্ছে।"

এর আগে রবিবার তিনি বলেন, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার হবে কি হবে না, সে বিষয়ে সংস্থা তদন্ত করছে। তদন্ত করার পরে যদি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া যায়, "আমার কাছে রিপোর্ট যদি দাখিল করা হয়, আমি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুযোগ আছে।" আপাতত এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান আছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনেছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপহরণ-চাঁদাবাজি: এনসিপির যুব শক্তি নেতাসহ পাঁচজন কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ পি.এম


অপহরণ-চাঁদাবাজি: এনসিপির যুব শক্তি নেতাসহ পাঁচজন কারাগারে

দিনাজপুরে একজন কৃষককে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে এনসিপির অঙ্গসংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় এক নেতাসহ পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে তাদের দিনাজপুর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ এলাকা থেকে একটি সাদা প্রাইভেটকারসহ তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— জাতীয় যুব নাগরিক শক্তির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন (২৯), সংগঠনের নেতা হাসিন ইশরাক মিম (২২), আজমির হোসেন (২২), সমজিদুল মিনহাজ (২১) এবং হৃদয় হোসেন (২২)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর সদর উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের খোশালপুর পুকুরপাড়া এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদকে গত রবিবার রাতে শহরের গোপালগঞ্জ পাঁচমাইল এলাকা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে মারধর করে পরিবারের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

এ ঘটনায় আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন (৩৬) কোতোয়ালি থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সোমবার বিকেলে গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ এলাকা থেকে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে। পরে আটক ব্যক্তিদের থানায় নেয়ার সময় তাদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করা হয়। পরে, সোমবার রাতে মামুন বাদী হয়ে গ্রেফতার পাঁচজনসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা করেন।

আটকের পর এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা থানার ভেতর থেকে আটক ব্যক্তিদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গভীর রাত পর্যন্ত দিনাজপুর সদর থানা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় পুলিশের পাশে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন ছাত্রদল ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি নূরনবী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার পাঁচজনকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, মামলায় আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো ছেড়ে গেলে কী হবে, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো ছেড়ে গেলে কী হবে, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

যুক্তরাষ্ট্র যদি উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোট (ন্যাটো) থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি বড় ধরনের প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতামত বলছে, এমন পরিস্থিতিতে ন্যাটো পুরোপুরি ভেঙে পড়বে না। বরং, যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতৃত্বে জোটটি টিকে থাকতে পারে। তবে এই পরিবর্তনের জন্য ব্যয় অত্যন্ত বেশি এবং এটি দীর্ঘমেয়াদি হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক দশক ধরে ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, সামরিক অনুসন্ধান (ইন্টেলিজেন্স, সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রিকনেসান্স), স্যাটেলাইটভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ, সামরিক রসদ সরবরাহ এবং সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অপরিহার্য।

বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, যদি যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো থেকে সরে যায়, তাহলে ইউরোপের জন্য তার সামরিক সক্ষমতার ঘাটতি পূরণ করতে অন্তত এক দশক বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রতিস্থাপন করতে প্রায় এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হতে পারে।

এছাড়া, ইউরোপের প্রতিরক্ষা শিল্প দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে এখনও হিমশিম খাচ্ছে। অনেক ইউরোপীয় দেশ তাদের সশস্ত্র বাহিনীতে নতুন সদস্য নিয়োগ এবং বিদ্যমান সদস্যদের ধরে রাখার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। এই কারণে একটি স্বল্প সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শূন্যতা পূরণ করা ইউরোপের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়াও ন্যাটো টিকে থাকার সক্ষমতা রয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলো চাইলে নিজেদের নেতৃত্বে জোটের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে। তবে এতে প্রতিরক্ষা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে হবে।

এই কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রস্থান ন্যাটোর অস্তিত্বের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে ইউরোপের সামরিক প্রস্তুতি, প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা এবং নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর।

যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে একাধিকবার ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং জোটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তবুও তিনি ইচ্ছা করলেই একক সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে বের করে নিতে পারবেন না।

মার্কিন আইনে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটো থেকে বের হতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন অথবা কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে এমন অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান-উভয় দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আইনপ্রণেতা এখনও ন্যাটোর প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে আসছেন।

ফলে, ট্রাম্প ন্যাটো নিয়ে কঠোর অবস্থান নিলেও অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিকভাবে জোট ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-নেপাল সহযোগিতা জোরদারে রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


বাংলাদেশ-নেপাল সহযোগিতা জোরদারে রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নেপালের জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান গুনাকর ভট্টের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত।

মঙ্গলবার গুনাকর ভট্টের অফিসে তাদের মধ্যে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময়, সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উভয় পক্ষের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদার করার মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা করা হয়।

এছাড়া, উভয় দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক অন্যান্য ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বিভিন্ন উপায় এবং সম্ভাবনার কথাও আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয় যে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে সুষ্ঠু উত্তরণ নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-নেপাল দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বকে আরও গভীরতর করার এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%