প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বদলির আদেশ জারির তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান বদলির আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে একটি প্রশাসনিক কারণে ওসি মো. বাহার মিয়াকে শরীয়তপুর থেকে কিশোরগঞ্জ জেলায় বদলি করা হয়েছে। তবে আদেশে উল্লেখ থাকলেও তিন মাস পরও তিনি নড়িয়া থানায় বহাল রয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএনপির নড়িয়া উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও ব্যবসায়ী মতিউর রহমান সাগর আইজিপি, সংশ্লিষ্ট ডিআইজি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে তিনি পুলিশ পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে বদলির আদেশ বাস্তবায়ন এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওসি বাহার মিয়াকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আটক বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ওসি মো. বাহার মিয়া জানান, তার বদলির আদেশ স্থগিত হয়েছে এবং সে কারণে তিনি এখনো নড়িয়া থানায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি হননি।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, ওসি বদলি কিংবা কর্মস্থলে বহাল থাকার বিষয়টি পুলিশ সদর দফতরের সিদ্ধান্ত এবং জেলা পুলিশের এ বিষয়ে কোনো এখতিয়ার নেই। মো. বাহার মিয়া ২০০৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৭ সালে পদোন্নতি পেয়ে তিনি ইন্সপেক্টর হন এবং চাঁদপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নড়িয়া থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন