শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৫ পি.এম
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, "আল্লাহর আইন ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।" তিনি উল্লেখ করেছেন, যেসব ইসলামী দল আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী সর্বাগ্রে অবস্থান করছে।
শুক্রবার, নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার একটি মিলনায়তনে সিলেট মহানগর জামায়াতের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী রুকন (সদস্য) শিক্ষাশিবিরের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, মানুষের সঙ্গে আচরণে সদা সম্মান প্রদর্শন করা এবং নৈতিক মানে সংবর্ধিত হওয়ার নীতিই হলো কৌশল। তাই সংগঠনের সর্বস্তরের দায়িত্বশীল ও জনশক্তিকে সামাজিক-মানবিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করে জনসম্পৃক্ততা অর্জনের পাশাপাশি অবৈধ উপার্জনের চিন্তামুক্ত থেকে ব্যবসায়িক লেনদেনে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর সঞ্চালনায় আয়োজিত এ শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমির হাফিজ মিফতাহুদ্দীন, ড. নূরুল ইসলাম বাবুল এবং জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নানসহ স্থানীয় নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর পোরশায় নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় যুবসমাজ, এলাকাবাসী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের মূলুকডাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে একই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নুরুজ্জামান ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে বিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসেন। পরে সেখানে তিনি ওই ছাত্রীর সাথে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রী বিষয়টি তার এক বান্ধবীকে জানালে তা তাদের সহপাঠীসহ অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলস্বরূপ, ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করে স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষকসহ অন্যদের দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি জানান, আইন অনুযায়ী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে কুয়েতের স্থায়ী মিশনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক অবদান দুই দেশের সম্পর্কের বিকাশ ও পারস্পরিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের সময় থেকে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে গড়ে ওঠা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার ভিত্তি সময়ের সঙ্গে আরও বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে এই ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে শ্রমশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
এ সময় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে উভয় নেতা বাংলাদেশ ও কুয়েতের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি মৌসুমে পাবনার সুজানগরের ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিল কচুরিপানায় ঢাকা পড়েছে। এর ফলে বিলে আবাদ করা বোনা আমন ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর গাজনার বিলের ২৫‘শ হেক্টর জমিতে বোনা আমন ধান আবাদ করা হয়েছে। বর্ষার সময়ে পানির সাথে লাফিয়ে লফিয়ে বৃদ্ধি পায় বোনা আমন ধান। যদিও বিলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে বোনা আমন ধান কখনও পানিতে তলায়না। বরং যে বছর বর্ষায় বিলে বেশি পানি হয়, সে বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। কিন্তু এই বছর বিলে প্রচুর পানি থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বিল কচুরিপানায় ঢাকা পড়ায় ধানের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।
বিলপাড়ের খয়রান গ্রামের ময়েন উদ্দিন জানান, ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিল কচুরিপানায় ঢাকা পড়ার কারণে বছরের পর বছর বিলের জমিতে পেঁয়াজ ও ধান আবাদ ব্যাহত হয়ে আসছে। গত ২/৩ বছর আগে সরকারিভাবে বিল থেকে কচুরিপানা নিধনে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। এতে সাময়িকভাবে কচুরিপানা মারা গেলেও বর্ষার মৌসুমে বিল আবার কচুরিপানায় ঢাকা পড়ে। এবছরও বর্ষার আগে কচুরিপানা নিধনে সরকারিভাবে বিষ প্রয়োগ করা হয়। বিষ প্রয়োগের ফলে বিলের কিছু এলাকায় কচুরিপানা মারা গেলেও বেশিরভাগ এলাকা এখনও ঢাকা পড়ে আছে। এই কচুরিপানার কারণে আমন ধানের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।
এছাড়া, ওই কচুরিপানার কারণে শুষ্ক মৌসুমে বিলে পেঁয়াজ আবাদও চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। উপজেলার উলাট গ্রামের ভুক্তভোগী পেঁয়াজ চাষী আলতাফ হোসেন বলেন, শুষ্ক মৌসুমে সরকারিভাবে প্রকল্প নিয়ে শ্রমিকের মাধ্যমে গাজনার বিল থেকে সমূলে কচুরিপানা ধ্বংস করতে হবে। বিষ প্রয়োগ করে কচুরিপানা নিধন বা ধ্বংস করা যাবে না। এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, শুষ্ক মৌসুমে গাজনার বিলের কচুরিপানা অপসারণে কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী জেলার চারঘাটে পুলিশ ৩৬০ বোতল ভারতীয় নেশাদ্রব্য মনোড্রিলসহ একজন যুবককে আটক করেছে। আটককৃত যুবকের নাম সাব্বির হোসেন অনিক (৩০)। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মোক্তারপুর মণ্ডলপাড়া গ্রামের গোলাম রুসুলের বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময়, মাদক বহনের জন্য ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। সাব্বির হোসেন অনিক চক মুক্তারপুর গ্রামের সোহরাব আলীর পুত্র।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চারঘাট মডেল থানার পুলিশ মোক্তারপুর মণ্ডলপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। যখন দুটি মোটরসাইকেলে করে চারজন সেখানে উপস্থিত হয়, তখন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা মাদক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ ধাওয়া করে সাব্বির হোসেন অনিককে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে, তার সঙ্গে থাকা তিনজন পালিয়ে যায়।
পলাতক আসামিরা হলেন মুক্তারপুর এলাকার মৃত আনছার আলীর ছেলে রবিন আলী (৩০), মোহাম্মদ আলম হোসেনের ছেলে জহিরুল ইসলাম (৩২) এবং মোহাম্মদ লিটন মিয়ার ছেলে টিটন মিয়া (৩২)। চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, সম্প্রতি চারঘাটে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি সম্রাটকে আটক করা হয়েছিল। এর পরদিনই ৩৬০ বোতল মনোড্রিলসহ আরও একজনকে আটক করা হলো। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই ঘটনায় আটক ব্যক্তি ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ