প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের মঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় এসেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়কের ভূমিকা পালন করা হ্যারি কেন। মাঠে গোল করে যেভাবে তিনি দলের জন্য ভরসা হয়ে উঠেছেন, তেমনি মাঠের বাইরের দীর্ঘদিনের প্রেমের গল্পও ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
নকআউট পর্বে কঙ্গোর বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকেও কেনের জোড়া গোলে ইংল্যান্ড নিশ্চিত করে শেষ ষোলোতে জায়গা। মাঠের এই নায়কত্বের সাথে সাথে আসছে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আলোচনা, বিশেষ করে কেটি গুডল্যান্ডের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ক বিষয়ে।
হ্যারি কেন এবং কেটি গুডল্যান্ডের প্রথম পরিচয় পূর্ব লন্ডনের লার্কসউড প্রাইমারি স্কুলে। ওই সময় কেনের বয়স ছিল ১২ বছর এবং কেটির বয়স ছিল ১১। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে চিংফোর্ড ফাউন্ডেশন স্কুলের সফরে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ডেভিড বেকহ্যাম এই দুই শিক্ষার্থীর সাথে একটি ছবি তোলেন। স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে আরও গভীর হতে থাকে এবং ২০১২ সালে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়ান।
খ্যাতির চাপ সম্পর্ককে কতটা কঠিন করে তুলতে পারে, সেই ব্যাপারে একাধিকবার খোলামেলা আলোচনা করেছেন হ্যারি কেন। তার মতে, তারকা হয়ে ওঠার পর তিনি বোঝেন কারা স্বার্থের জন্য কাছে আসে এবং কারা সত্যিকারের ভালোবাসার টানে পাশে থাকে, এ বিষয়টা বোঝা কঠিন। তাই ছোটবেলার ভালোবাসাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়াকে তিনি নিজের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য বলে মনে করেন।
কেন বলেন, "আমি ভাগ্যবান যে আমার ছোটবেলার ভালোবাসাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি। সে আমার পুরো ক্যারিয়ার খুব কাছ থেকে দেখেছে।"
১৯৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করা কেটি গুডল্যান্ড লন্ডনের মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৪ সালে স্পোর্টস সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি একজন পেশাদার ফিটনেস কোচ এবং ট্রেনার।
২০১৭ সালে বাহামাসে অবকাশযাপনের সময় এই জুটি বাগদান সম্পন্ন করেন। এরপর ২০১৯ সালের গ্রীষ্মে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের সময় কেটিকে হ্যারি কেন নিজের সেরা বন্ধু এবং সোলমেট বলে অভিহিত করেছিলেন।
বর্তমানে চার সন্তানের বাবা-মা এই দম্পতি। তাদের সন্তানের নাম হলো আইভি জেন, ভিভিয়েন জেন, লুই হ্যারি এবং হেনরি এডওয়ার্ড। কেনের মতে, পরিবার এবং কেটির নিরন্তর সমর্থনই তাকে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সফল হতে এবং খ্যাতির মাঝেও মাটির কাছাকাছি থাকতে সাহায্য করেছে।
লার্কসউড প্রাইমারি স্কুলের বন্ধুত্ব থেকে শুরু হয়ে আজীবনের দাম্পত্যে রূপ নেওয়া হ্যারি কেন ও কেটি গুডল্যান্ডের প্রেমকাহিনী প্রমাণ করে, বিশ্বজোড়া খ্যাতি ও চাপের মধ্যে সত্যিকারের ভালোবাসা টিকে থাকতে পারে। মাঠে শিরোপার লড়াই যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক, ব্যক্তিগত জীবনে ছোটবেলার ভালোবাসাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া হয়তো হ্যারি কেনের সবচেয়ে বড় অর্জন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন