প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, গ্যাসের সংকট দূর হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে অন্যতম কারণ হলো গ্যাসের সংকট। গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি উন্নত হলে লোডশেডিংয়ের বর্তমান অবস্থা আর থাকবে না, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও দেশে লোডশেডিং ছিল। তবে ঢাকায় তা একেবারেই হয়নি। কারণ ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ বেশি এবং সামাজিক পুঁজি (সোশ্যাল ক্যাপিটাল) বেশি। ফলে ঢাকার মানুষ লোডশেডিং না দেখায় তাদের মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে।
লোডশেডিংয়ের পরিমাণ নিয়ে তুলনামূলক তথ্য উপস্থাপন করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের শেষ পূর্ণ বছর ছিল ২০২৩ সাল। ২০২৩ এবং ২০২৬ সালের জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসের গড় লোডশেডিংয়ের চিত্র তুলনা করলে দেখা যায়, জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় কম ছিল।
তিনি আরও জানান, ২০২৩ সালের জুনে প্রতিদিন গড়ে লোডশেডিং ছিল ৯৬৯ মেগাওয়াট। ২০২৬ সালের জুনে তা ৭৪১ মেগাওয়াটে নেমে আসে। একইভাবে, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গড়ে লোডশেডিং ছিল ৬১৩ মেগাওয়াট, যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ৪৬০ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়।
তবে আগস্টের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ২০২৩ সালের আগস্টে গড় লোডশেডিং ছিল ৩৬০ মেগাওয়াট। কিন্তু ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে ১ হাজার ৫৬৫ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।
‘আগস্টে কী সংকট হয়েছিল’ তা সবার জানা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই মাসে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালের গড় লোডশেডিং ২০২৩ সালের তুলনায় কম ছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, গ্যাসের যে সংকট ছিল সেটি কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। ফলে বর্তমান সংকট আর এতটা প্রকট থাকবে না, এমন আশা প্রকাশ করেন।
ঢাকায় লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজধানীতেও কিছুটা সংকট সবাইকে মেনে নেওয়া উচিত। তবে ঢাকা দেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি হওয়ায় বিদ্যুতের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন