প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যানচেস্টার সিটি প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের সব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, যা ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রযোজ্য। স্বাধীন কমিশনের তদন্তে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, ক্লাবটি ভুয়া চুক্তি ও কৃত্রিম আয় দেখিয়ে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ড (১.২ বিলিয়ন পাউন্ড) বাড়তি রাজস্ব দেখিয়েছে।
ইংল্যান্ডের শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রিমিয়ার লিগ বিষয়টি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে।
তদন্ত ও অভিযোগ
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে চার বছরের তদন্ত শেষে সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। কমিশন জানিয়েছে, স্পন্সর কোম্পানিগুলো আংশিক অর্থ প্রদান করলেও বাকি অর্থ আসত আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ থেকে, যারা ক্লাবের মালিক। খরচও কৃত্রিমভাবে কম দেখানো হয়েছিল।
তদন্তের সময় আরও উঠে এসেছে যে, সিটি প্রিমিয়ার লিগের তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।
প্রতিক্রিয়া ও আপিল
প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্স মন্তব্য করেছেন, “প্রায় এক দশক ধরে নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কী শাস্তি দেওয়া হবে।”
সিটি তাদের অবস্থান জানিয়ে বলেছে যে, তারা আপিল করবে, “আমরা নির্দোষ। প্রিমিয়ার লিগের মতামতে আইন ও তথ্যগত ভুল রয়েছে।”
সম্ভাব্য শাস্তি
প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী শাস্তি হতে পারে জরিমানা, পয়েন্ট কাটা বা এমনকি লিগ থেকে বহিষ্কার।
এভারটন ও নটিংহ্যাম ফরেস্টকে ২০২৩-২৪ মৌসুমে একক ভঙ্গের জন্য পয়েন্ট কাটা হয়েছিল।
এক্ষেত্রে শতাধিক অভিযোগে দোষী সিটি অবনমনের মুখে পড়তে পারে।
প্রতিক্রিয়া
সাবেক চেয়ারম্যান ডেভিড বার্নস্টেইন বলেছেন, “এটি অবিশ্বাস্যভাবে গুরুতর অপরাধ। শুধু আর্থিক জরিমানা নয়, শাস্তি আরও কঠোর হতে হবে। আপিল ব্যর্থ হলে সিটিকে লিগে রাখা যাবে না।”
যুক্তরাজ্যের সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও ক্রীড়া সচিব লিসা ন্যান্ডি মন্তব্য করেছেন, “প্রিমিয়ার লিগের রিপোর্ট অত্যন্ত গুরুতর ও স্পষ্ট।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন