প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সমস্যার কথা জানা গেল। বৈরী আবহাওয়া ও অনিবার্য কারণে যারা পরীক্ষা দিতে না পারছে, তাদের জন্য চট্টগ্রাম বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
আজ বুধবার, চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এক বিবৃতির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানান। তিনি এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রশ্নে ভুল করার জন্য কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরও জানান, ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়া পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। সংসদে তিনি বলেন, চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।
সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাঁচ জেলায় (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান) অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও দেশের কিছু জেলায় কিছু পরীক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও অন্য কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, যেসব পরীক্ষার্থীরা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে একই তারিখে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ, তাই বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের ভুল প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি আবারও আশ্বস্ত করছি যে পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের ৬ এবং ৭ নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন