প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ বিরতির পর আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা-কাঠমাণ্ডু রুটে পুনরায় নির্ধারিত ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। প্রাথমিকভাবে এই রুটে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, খুব শিগ্গিরই ঢাকা-কাঠমণ্ডু রুটে ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শিগ্গিরই দেওয়া হবে।
প্রায় ৮ বছর পর আবারও ঢাকা-কাঠমাণ্ডু রুটে ইউএস-বাংলার প্রত্যাবর্তনকে সংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বর্তমানে এই রুটে সীমিতসংখ্যক এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করছে। নতুন করে ইউএস-বাংলা যুক্ত হলে প্রতিযোগিতা বাড়বে, যা যাত্রীদের জন্য ভাড়া কমানো, সময়সূচিতে বৈচিত্র্য এবং উন্নত সেবার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
বিশেষ করে নেপালগামী পর্যটক, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় ভ্রমণকারীরা বাড়তি বিকল্প পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিমান পরিবহন খাতের বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই রুটে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়, তবে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন যাত্রীরাই।
২০১৮ সালের ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ বিধ্বস্ত হওয়ার পর এই রুটে সংস্থাটির ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ-৮ কিউ৪০০ উড়োজাহাজটি অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, যার ফলে চার ক্রুসহ ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জন নিহত হন। বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচলের ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন