প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তেহরান অস্বীকার করেছে। ইরান ব্রিটিশ সরকারের কাছে এ বিষয়ে প্রমাণ প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তাদের ভূমিকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দাবি করেছেন যে, ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ইরানে তৈরি হতে পারে এবং এটি সম্ভবত ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নির্দেশনায় পরিচালিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বার্নহ্যাম বলেন, ব্রিটিশ ভূখণ্ডে এ ধরনের হুমকি সরকার সহ্য করবে না। তিনি আরও জানান, ইরানের অপরাধী নেটওয়ার্কগুলোর কার্যক্রম এবং তাদের অর্থায়নের উৎস বন্ধ করতে সরকার সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
এদিকে, এ ঘটনায় শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ব্রিটেন দুই ইরানি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। বার্নহ্যাম এ প্রসঙ্গে বলেন, ইরান এবং আইআরজিসির ব্রিটেনের ক্ষতি করার সক্ষমতা সীমিত করতে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটেনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরান দাবি করেছে যে, লন্ডন কোনো সমর্থনযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই গুরুতর অভিযোগ তুলছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানে ব্রিটেনের সম্পৃক্ততা থেকে দৃষ্টি সরাতেই এ অভিযোগ আনা হচ্ছে বলে মনে করছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ইংল্যান্ডের ফেয়ারফোর্ড শহরের বিমানঘাঁটির কাছে এ ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসবাদ ও বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে ২০ বছর বয়সী পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজনদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি ভ্যানে পেট্রল মজুত পাওয়া গেছে, তবে কোনো বিস্ফোরক উদ্ধার হয়নি। পরে কঠোর শর্তে পুলিশি জামিনে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন