প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঁচ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমীর সই করা একটি চিঠিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসকদের, নার্সদের এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপস্থিতি শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী রাখা হবে। বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে যে, ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে কমপক্ষে পাঁচজন মেডিকেল অফিসার উপস্থিত থাকতে হবে। এর মানে হল যে, প্রতি ১০ শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় পাঁচটি পদক্ষেপ সিভিল সার্জনদের বাস্তবায়ন করার জন্য বলা হয়েছে। প্রথমত, জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ হালনাগাদ তালিকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। তৃতীয়ত, ডিউটি রোস্টার ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করতে হবে।
চতুর্থত, প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকলে অথবা ভুল কিংবা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে। পঞ্চমত, মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ, মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়নের জন্য সব সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন