প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ফিলিপাইনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে একটি সম্মতি অর্জিত হয়েছে। মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লায়েন এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। ওই আলোচনায় উভয় পক্ষ একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মতি প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইইউ এবং ফিলিপাইনের মধ্যে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা বেশ কয়েক দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের মে মাসে ষষ্ঠ দফার আলোচনা সম্পন্ন হয়। ওই দফায় পণ্যবাজারে প্রবেশের সুযোগ, সরকারি ক্রয় এবং বাণিজ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ইইউ এবং ফিলিপিন্সের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালে উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ইউরো। অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করতে উভয় পক্ষ একটি বিস্তৃত ও ভারসাম্যপূর্ণ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জন্য আলোচনা চালিয়ে আসছিল।
আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভিয়েতনামের বাণিজ্য আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি : তো লাম
নতুন চুক্তির ফলে ফিলিপাইনের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সহজতর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বর্তমানে ফিলিপাইন ইইউর দেওয়া বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা উপভোগ করছে। নতুন চুক্তির মাধ্যমে দেশটি সেই সুবিধার পরিবর্তে আরও বিস্তৃত মুক্ত বাণিজ্য কাঠামোর আওতায় আসবে। এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় পক্ষের সরবরাহব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় এবং ফিলিপাইনের বিনিয়োগকারীদের একে অপরের বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা থাকবে। এছাড়া পণ্য ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার সুযোগও সৃষ্টি হবে। এর ফলে উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি কার্যকর হলে পণ্য ও সেবার বাণিজ্যে বিভিন্ন বাধা কমানোর পাশাপাশি ব্যবসা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি করার পথ তৈরি হবে। তবে চুক্তিটি কার্যকর করতে পরবর্তী ধাপে এর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন