প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি জুন মাসে সরকার মোট চারটি কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করতে যাচ্ছে। এর ফলে মোট গ্যাসের পরিমাণ হবে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ এমএমবিটিইউ।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, 'গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১ কোটি ৬০ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাসবাহী পাঁচটি এলএনজি কার্গো ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।'
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, জুন মাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকার মোট নয়টি কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে গতকাল ১৫ জুন পর্যন্ত পাঁচটি কার্গো দেশে পৌঁছেছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য ক্রয়কৃত নয়টি কার্গো এলএনজির মধ্যে পাঁচটি স্পট মার্কেট এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি চারটি কার্গো স্পট মার্কেট থেকে আমদানি করা হবে।
এর আগে, গত মে মাসে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ১১টি এলএনজি কার্গো আমদানি করেছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ।
মিজানুর রহমান আরও বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ নিয়মিত এলএনজি আমদানি করছে সব উৎস থেকে, যা দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেট অন্তর্ভুক্ত।
তিনি জানিয়েছেন, গড়ে প্রতিটি এলএনজি কার্গোত প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাস থাকে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমান সরকারের জ্বালানি ও পণ্য বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে।
এছাড়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায়ও বাংলাদেশকে এলএনজি সরবরাহ করছে।
উল্লেখ্য, প্রতি মাসে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করে থাকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন