ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের নতুন অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি


পাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের নতুন অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) দুই দিনের ব্যবধানে ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠে এসেছে। এবার ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রীকে র‍্যাগিং, মানসিকভাবে হেনস্তা ও অপমানজনক আচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিভাবক নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগী ছাত্রী তাসনীম ফাতিনের মা রোকশানা পারভিন বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত হিসেবে বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ছয় শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ইতমিনান, আসফাকুল, অভি, লাবিব, সাইমা ও হিমুর নাম রয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে মৌলিক এআই কোর্সের সুখবর

অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ডেকে নিয়ে র‍্যাগিং করা হয়। এ সময় তাসনীমের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় এবং তাকে মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়। এর ফলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরে বাড়ি ফিরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীরা সিনিয়রদের মাধ্যমে নিয়মিত র‍্যাগিং ও অপমানজনক আচরণের শিকার হচ্ছেন। তাদের কটূক্তি করা, জোর করে বিভিন্ন ধরনের হাসি দিতে বলা, পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে পরিচয় দিতে বাধ্য করা এবং সিনিয়র শিক্ষার্থীদের সালাম না দিলে বকাঝকা করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

এছাড়া, অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা কিংবা তাদের আয়োজিত কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিলেও নবীনদের বকাঝকা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি সিনিয়র শিক্ষার্থীদের ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো ও মেসেজ দিতেও নবীনদের চাপ দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগে এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগ জানানোর কারণে কোনো শিক্ষার্থী যাতে প্রতিশোধমূলক আচরণ বা পুনরায় হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ১৬৯০ ইবতেদায়ি শিক্ষকের অনুদান ছাড়ের দাবি জানাল শিক্ষক কল্যাণ কমিটি

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার কাছে কিছুটা সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। তবে এটি সঠিক নাকি ভুল, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। বিষয়টি আরও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করছি। আমি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার মতো মনে হচ্ছে। তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করা ঠিক হবে না।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হল ‘গণতন্ত্র হলে’ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে একই বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পাবনা শহরের মোজাহিদ ক্লাব এলাকার এসোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকা ও ময়মনসিংহ বোর্ডের এসএসসি বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের সমস্যা সমাধানে গণ-অনশনে বসছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরের সমস্যা সমাধানে গণ-অনশনে বসছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা না হওয়ার কারণে আগামীকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) গণ-অনশনের আয়োজন করবে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

বন্দর ওয়ানস্টপ সার্ভিস ভবনের সামনে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই গণ-অনশন অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবীর।

তিনি জানান, গত ৮ অক্টোবর চুক্তি স্বাক্ষরের দিনেই সরকারকে আলোচনার জন্য দুই দিনের সময় দিয়েছিলাম বিক্ষোভ মিছিল থেকে। কিন্তু আলোচনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই আমরা পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ গণঅনশন করব এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।

সূত্র জানায়, গত ৮ অক্টোবর বিকেলে আগারগাঁওয়ের ইনভেস্ট বাংলাদেশ মিলনায়তনে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছর এনসিটি পরিচালনার জন্য কনসেশন চুক্তিতে সই করা হয়। ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান এইচ ই ইসা কারিম এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বন্দর পরিচালনার আন্তর্জাতিক পদ্ধতি ‘ল্যান্ডলর্ড মডেল’-এ ডিপি ওয়ার্ল্ড এনসিটি পরিচালনা করবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রাথমিকভাবে ১৫ বছর এনসিটি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করবে। তবে টার্মিনালের জমি, মূল অবকাঠামো ও সম্পদের মালিকানা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত এসবের মালিক হবে বাংলাদেশ সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনেত্রী নাসিমা খান আজ সন্ধ্যায় মারা গেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


অভিনেত্রী নাসিমা খান আজ সন্ধ্যায় মারা গেলেন

ষাটের দশকের অভিনেত্রী নাসিমা খান না-ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমান খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে নাসিমা খান অন্যতম। ষাটের দশকে রুপালি পর্দায় যাত্রা শুরু করা এই অভিনেত্রী বাংলা ও উর্দু—দুই ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট পুরান ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাড়িখাল গ্রামের উকিলবাড়ি। তার বাবা মোহাম্মদ মাসুদ খান। দাদা খান বাহাদুর আবদুল জলিল ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে লালবাগে বাড়ি করে সেখানেই বসবাস শুরু করে তাদের পরিবার।

নাসিমা খানের চলচ্চিত্রে আসার পেছনে অভিনেতা আনিসের ভূমিকা ছিল। ঢাকার চলচ্চিত্রে সুলতানা জামান, রওশন আরা, সুমিতা দেবী ও চিত্রা সিনহার মতো অভিনেত্রীরা তখন পরিচিত মুখ। নাসিমাদের বাড়ির কাছাকাছি থাকতেন আনিস, যিনি খান আতা নামেও পরিচিত। নাসিমার বাবার সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। একসময় আনিসই নাসিমার বাবাকে মেয়েকে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। বাবার সম্মতি পাওয়ার পর অভিনয়ের জগতে পা রাখেন নাসিমা।

১৯৫৯ সালে এ জে কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে নাসিমা খানের। ঢাকার দ্বিতীয় সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত এই সিনেমায় সহনায়িকাদের একজন ছিলেন তিনি। ছবিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পুরস্কার অর্জন করে। একই বছর বেবী ইসলাম পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘তানহা’য় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন শবনম, সুমিতা দেবী ও লাহোরের অভিনেত্রী শামীম আরা।

১৯৬১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন নাসিমা খান। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন আনিস। এরপর একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের পরিচিতি বাড়ান তিনি।

নাসিমা খানের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সূর্যস্নান’, ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’। এসব সিনেমায় বিভিন্ন সময়ে আনোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম, রহমান, মুস্তফা, আজিম ও হারুনের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি।

‘আসবন গ্যায়ে মতি’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন নাসিমা খান। বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে তার কাজের মধ্য দিয়ে ষাটের দশকের ঢাকার চলচ্চিত্রজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে তার নাম। দীর্ঘ সময় ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করার পর নাসিমা খানকে নাটকেই বেশি দেখা গেছে। বয়স ও সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে অভিনয়ের মাধ্যম বদলালেও শিল্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল অটুট। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রাথমিক পর্যায়ে যারা অভিনয়ের মাধ্যমে পথ তৈরি করেছিলেন, তাদের মধ্যে নাসিমা খান অন্যতম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিকশিত ভারত’কে জনতার লাল কার্ড: মোদির ধোঁকা দেওয়ার দিন শেষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


বিকশিত ভারত’কে জনতার লাল কার্ড: মোদির ধোঁকা দেওয়ার দিন শেষ

যখন ক্ষমতা জাহির করার জন্য গায়ের জোর খাটানোর চেষ্টা শুরু হয়, তখন নিশ্চিতভাবে এটি বোঝা যায় যে কোনো স্বৈরাচারী শাসক তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে শেষ অস্ত্রটি ব্যবহার করছে। এটি উদযাপনের একটি কারণও বটে। কারণ এটি চরম হতাশার লক্ষণ, যা নির্দেশ করে যে তাদের প্রতারণামূলক কৌশলগুলো আর কার্যকর নয়। সুদিনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে মোহগ্রস্ত করার সময় শেষ হয়ে এসেছে; জবরদস্তি এবং ব্ল্যাকমেলিং এখন আর কার্যকর হচ্ছে না। পাশবিক শক্তি, যা তাদের শেষ ভরসা, আজ একমাত্র খড়কুটো হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নরেন্দ্র মোদির দম ফুরিয়ে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে টিকে থাকার জন্য তিনি আজ দিশাহারা। গণতান্ত্রিক বৈধতা ছাড়া কোনোমতে টিকে থাকতে তিনি অভিশপ্ত। জনগণের গণঅভ্যুত্থান দমনে অসাংবিধানিক পথ বেছে নিয়ে তিনি সেই বৈধতা আগেই হারিয়েছেন। ১০ তারিখে যা ঘটেছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, ভালো কাজের ভিড়ে কোনো ব্যতিক্রমী ত্রুটিও নয়। এটি ছিল অনৈতিক রাজনীতির একটি অনিবার্য পরিণতি।

স্বৈরাচারীরা কখনোই বিরোধীদের যুক্তি খণ্ডাতে তথ্য ও যুক্তির আশ্রয় নেন না। তারা মিথ্যা ও অসত্যের জোরে প্রতিপক্ষ ও সমালোচকদের দমন করে। মন ভোলানো প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং রঙিন স্বপ্ন বিক্রি করে তারা জনমত পরিচালনা করে। কদিন আগে আমরা দেখলাম মোদি কতটা মরিয়া হয়ে খুব একটা প্রভাব ফেলতে না পেরেও কেবল বলে চলেছেন—“আমরা এটা করে দেখাব”।

'বিকশিত ভারত'-এর কাল্পনিক সুফল ভোগ করার জন্য ২০৪৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য কেউ রাজি নয়। তিনি ভালোভাবেই জানেন, এই ধোঁয়া ও আয়নার খেলা আর কাজ করছে না। তাঁকে এবার পথ বদলাতেই হবে। আর এই পরের পথটি সহিংস দমনপীড়ন ছাড়া আর কী হতে পারে? সঙ্ঘ পরিবার ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জোট তো আপস ও জবাবদিহিতার ভাষা শিখেইনি।

গত এক সপ্তাহ ধরে যে সমস্ত দৃশ্য সামনে এসেছে, তা কেবল পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর পাশবিক শক্তির ব্যবহারের জন্য উদ্বেগজনক নয়; এগুলো পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থার ধ্বংসের ইঙ্গিত দেয়, যে পরিণতি দেখার জন্য বুদ্ধিজীবী সমাজ গত এক দশক ধরে উদ্বিগ্নভাবে অপেক্ষা করে ছিল।

কর্পোরেট বন্ধু এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের সহায়তায় মোদির রাজনীতি আজ হোক বা কাল এই অবস্থানে এসেই ঠেকত। ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের প্রতি প্রকৃত অঙ্গীকারহীন যে মিথ্যা বয়ান এতদিন ধরে তৈরি করা হয়েছিল, বিরোধী দলগুলোর আত্মসমর্পণ না করার জেদের মুখে তা শেষ পর্যন্ত দমনমূলক পদক্ষেপে রূপ নিতেই হতো।

বিজেপির মুখপাত্র এবং টিভি উপস্থাপকদের দ্বারা সমালোচক ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অভিযান এবং তাঁদের 'দেশবিরোধী' হিসেবে চিহ্নিত করার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হতে বাধ্য ছিল, কারণ সেসবে কোনো সারবত্তা ছিল না। জেন জি-এর আগমনে বিরোধী শিবির আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। সরকার বাধ্য হয়েছে তার আসল রূপটি উন্মোচন করতে—যার অর্থ হলো পুলিশি পদক্ষেপ এবং দেশজুড়ে এক ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা।

প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান যন্তর মন্তরকে জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তটিই ছিল যেকোনো উপায়ে ভিন্নমতকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার মোদির দৃঢ়প্রতিজ্ঞার এক নির্লজ্জ বিজ্ঞাপন। বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রতিদিন একের পর এক বিক্ষোভস্থল থেকে জোরপূর্বক ঘাড় ধরে বের করে দেওয়ার ঘটনাটি দেশকে কোনো সাধারণ বার্তা দেয় না।

দিন দিন নিরাপত্তা বাহিনীর মোতায়েন বাড়লেও সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার কোনো প্রস্তাব আসেনি। এর অর্থ কী, সরকার যে সংঘাতের পথ ছাড়তে প্রস্তুত নয়, তা ছাড়া আর কি? অথচ মোদি জানেন না যে নিজ দেশের জন গণের সাথে সংঘাত করা মানে আত্মঘাতী হওয়া। রাজনৈতিক যুক্তি এবং নৈতিকতা—উভয় পক্ষ থেকেই বিরোধীরা এগিয়ে থাকায় এই লড়াইয়ের অনিবার্য পরিণতি হবে সরকারের পরাজয়।

নেতৃত্ব সংকট

নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ—যাঁরা এই সরকারের মগজ ও পেশি—তাঁদের অনুপস্থিত শাসনে দিল্লি আজ সম্পূর্ণ পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর কবজায়। মোদি, যিনি সামান্য অজুহাতেও 'জাতির উদ্দেশে ভাষণ'-এর মতো রাষ্ট্রীয় অস্ত্রকে অপব্যবহার করেন, এবং শাহ, যিনি বিজেপির রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনার মুখ—এই চরম সংকটের সময় তাঁদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী কেবল আত্মপ্রচারের জন্য জাতির সাথে যোগাযোগ রাখবেন, এমনটি তো কাম্য নয়। তবে গুরুতর উদ্বেগগুলোর সমাধান কে করবে? কে এই আশাহীনতার অন্ধকার সুরঙ্গ থেকে মানুষকে পথ দেখাবে? যিনি মহামারীর বিরুদ্ধে লড়তে টিভিতে এসে থালা বাজাতে ও মোমবাতি জ্বালাতে বলেন, সেই সর্বোচ্চ নেতাই কি তবে দায়িত্ব নেবেন না?

ভারত তার ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা যখন সম্পূর্ণ উবে গেছে, তখন সাংবিধানিক কাঠামো ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রেও সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আর কোন বড় সংকটের অপেক্ষায় আছেন? পুলিশকে বলপ্রয়োগ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জনগণের ক্ষোভ সামাল দেওয়ার সুযোগ না দিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল নিজে সামনে এসে জনগণের মুখোমুখি হওয়া এবং অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সততার সাথে প্রতিটি সমস্যার সমাধান করা।

মোদি যদি বিশ্বাস করেন যে নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালীতে কোনো গলদ নেই এবং বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ সততার সাথে কাজ করেছে, তবে সমালোচকদের কণ্ঠরোধ করতে রাষ্ট্রের পাশবিক শক্তি প্রয়োগ না করে তাঁর নিজের সেই দৃষ্টিভঙ্গি জাতির সামনে তুলে ধরা উচিত ছিল।

অমিত শাহ—যিনি পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার নির্বাচনে কোনো ফন্দিই বাদ রাখেননি, অথচ পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলা এবং চলমান মণিপুর সংকটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে যিনি শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছেন—তাঁর উচিত ছিল দেশবাসীর কাছে ব্যাখ্যা করা যে আমাদের তরুণদের সামলাতে কেন এমন অভূতপূর্ব বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হলো?

হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে হেঁটে বেড়ানো এক বা দুজন যুবকের ওপর একশ জন পুলিশ এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ)-এর ঝাঁপিয়ে পড়ার দৃশ্যটি ছিল ভীতিকর। শাহ কি এভাবেই ভারতকে চালাতে চান? যদি তাই হয়, তবে তাঁর উচিত ছিল জাতির সামনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করা যে ভারতে আর কোনো প্রতিবাদ করার অনুমতি নেই।

যন্তর মন্তরের নির্ধারিত প্রতিবাদের জায়গাটি যে প্রতিবাদী ও বিপন্ন মানুষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তা এখন থেকে পুরোপুরি সরকারের দখলে—সেকথাও তাঁর দেশবাসীকে স্পষ্টভাবে জানানো উচিত ছিল।

কোনো রাজনৈতিক আলাপচারিতা ছাড়াই পুলিশকে দিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা, কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের দমন করা একটি সস্তা কৌশল। এমনকি যন্তর মন্তনের সেই গুন্ডারূপী সমর্থকেরাও তো কথা বলেছে, যারা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা দাবি করা মানুষদের হুমকি দিয়েছে, কিন্তু মোদি ও শাহ এ বিষয়ে একদম টুঁ শব্দটিও করেননি।

যাঁরাই দেশ চালানোর উচ্চাকাঙ্ক্ষা রাখেন, তাঁদের জাতীয় উদ্বেগের বিষয়গুলোতে নিজেদের মতামত দেশবাসীর কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। কেবল রাহুল গান্ধীকে কালিমালিপ্ত করাই রাজনীতি নয়। বাংলার (পশ্চিমবঙ্গ) নির্বাচন-পরবর্তী হিংস্রতা সম্পর্কে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কী মতামত, তা দেশবাসীর জানা প্রয়োজন।

একইভাবে সাম্প্রদায়িকতা, রাজনৈতিক দলবদল, অনুগত পুঁজিবাদ এবং ভিজিটিলিজম বা উগ্র স্বঘোষিত রক্ষকদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি কী, তাও জাতির জানা দরকার। রাজনীতি কোনো গোপন মিশন নয়; এটি জনআস্থা এবং সাংবিধানিক নৈতিকতার বিষয়।

পাল্টা যুক্তি কোথায়? বিজেপির বিরোধীদের বিরুদ্ধে পাল্টা শক্তি আমরা দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু এই শাসনব্যবস্থার দর্শনকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য দৃষ্টিভঙ্গি তাদের নেই। বিজেপির মুখপাত্ররা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যান, কিন্তু তাঁর দাবিগুলোতে ঠিক কোথায় ভুল রয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বোঝান না। তাদের সমর্থক গোষ্ঠীও কেবল চরিত্রহনন এবং হুমকির ওপর ভরসা করে থাকে।

বিরোধী পক্ষ যখন সংবিধানবাদ, শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং অন্যায়ের কথা বলে, তখন সরকারের সমর্থকরা দেশবিরোধী শক্তিগুলোকে 'উচিত শিক্ষা' দেওয়ার কথা বলে। তাদের কেউ কেউ—যাঁরা আবার হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে শিক্ষিত—সোরোস-এর তহবিলপুষ্ট শক্তির কথা বলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সেই অবাস্তব 'দিমাগী নকশাল' তত্ত্বটি আওড়াতে শুরু করেন।

সার্থক ও অর্থপূর্ণ আলোচনা ছাড়া রাজনীতি নিছক এক কুস্তি আখড়ায় পরিণত হয়। মোদির সমালোচকদের দেশবাসী বা দেশবিরোধী বলে গালি দেওয়া কিংবা স্লোগান দিয়ে কাউকে থামিয়ে দেওয়ার কোনো অর্থ হয় না। মোদি ও শাহ সহ বিজেপির প্রবীণ নেতারা কেন রাহুল গান্ধীর মুখোমুখি হয়ে পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন না?

ডানপন্থী আদর্শের প্রবক্তারা কোথায়? বিজেপির সেই চিন্তাশীল যুবসমাজ কোথায়, যারা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে যোগেন্দ্র যাদব, মনোজ ঝা, কানহাইয়া কুমার, নেহা বোরা বা অভিজিৎ দীপকের মতো মুখগুলোকে মোকাবিলা করতে পারে? অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দাবি করা কি অন্যায়? স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন-এ কোনো ত্রুটি নেই, এ কথা কি কেউ বলতে পারবে? সরকার বা বিজেপি কি দাবি করতে পারে যে জ্ঞানেশ কুমার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সৎ? নিশ্চয়ই না।

যাঁদের বিবেক আছে, তাঁরা সবাই জানেন এসআইআর কী ধরনের সংকট তৈরি করেছে। অবাধ নির্বাচনের দাবির আন্দোলনকে থামাতে পুলিশি দমনপীড়ন ও ডানপন্থী গুন্ডাদের হুমকি কোনো সমাধান হতে পারে না। তবে সেই আলোচনা এবং পাল্টা যুক্তিগুলো আজ কোথায়? বিজেপির কর্মীরা স্লোগান দিচ্ছে—“রাহুল গান্ধী শর্ম করো” (লজ্জা পাওয়া উচিত)। কিসের জন্য? অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করার জন্য? ভোটার তালিকা সংশোধনে জালিয়াতি ধরিয়ে দেওয়ার জন্য?

এমন একটা সময় ছিল যখন এল. কে. আদভানি বা মুরলী মনোহর জোশীর মতো নেতারা জোরালোভাবে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার চেষ্টা করতেন। কিন্তু বর্তমান বিজেপির সেই সক্ষমতা যেন পুরোপুরি হারিয়ে গেছে এবং তাদের কোনো মুখপাত্রই সমালোচকদের জবাব দেওয়ার মতো কোনো পাণ্ডিত্যপূর্ণ উপস্থাপন করতে পারছেন না।

নিশীকান্ত দুবে, সুধাংশু ত্রিবেদী, রবি কিষাণ, কঙ্গনা রৌত এবং সম্বিত পাত্ররা যদি কেবল অবাস্তব ও কল্পিত আজেবাজে কথা বলে যান, তবে রাজনাথ সিং ও শিবরাজ সিং চৌহানের মতো প্রবীণ নেতারা তো কেবল তোষণমূলক ও অর্থহীন বাকচাতুর্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছেন। এমনকি তাদের আদর্শের সাথে যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাও যেন আজ জ্ঞানহীন গোঁয়ারের মতো আচরণ করছেন।

এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার পরও বিজেপি কোনো মেধাবী দল তৈরি করতে পারেনি। আজ পর্যন্ত তাদের দলে একজন সত্যিকারের বুদ্ধিজীবীও যোগ দেননি। একজনও না।-লেখক সঞ্জয় কে. ঝা একজন ভারতীয় রাজনৈতিক ভাষ্যকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ান প্রযুক্তি জায়েন্টের ডাটা সেন্টারে তৃতীয়বারের মতো আঘাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ান প্রযুক্তি জায়েন্টের ডাটা সেন্টারে তৃতীয়বারের মতো আঘাত

ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাশিয়ান প্রযুক্তি জায়ান্ট ইয়ানডেক্সের ডাটা সেন্টারে তৃতীয়বারের মতো ড্রোন হামলা পরিচালিত হয়েছে। এই হামলার ফলে ডাটা সেন্টারটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে, শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংস্থাটি, যা ‘রাশিয়ার গুগল’ নামে পরিচিত, জানিয়েছে যে হামলার সময় রাজধানীর পূর্বে ভ্লাদিমিরে অবস্থিত কেন্দ্রটিতে কোনো হতাহত হয়নি। তবে, সেন্টারটির কিছু সার্ভিস সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

লড়াই

গত সপ্তাহের শুরুতে ইয়ানডেক্স জানিয়েছিল যে, ইউক্রেনের হামলার ফলে পাঁচটি ডেটা সেন্টারের মধ্যে দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার কারণে তারা পরিষেবা চালু রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%