প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডের শোক কাটানোর আগেই অজ্ঞাত নম্বর থেকে একের পর এক ফোন আসছে। এসব ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, বিভিন্ন হুমকি ও অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে অপ্রতিমের বাবা-মা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে অপ্রতিমের বাবা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ সাধারণ ডায়েরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরো পড়ুন
কমল সোনার দাম, ভরি কত?
এদিকে, এসব ঘটনায় নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে শুক্রবার থেকে মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন অপ্রতিমের মা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগম।
অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জানান, প্রথমে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে অপ্রতিম ও তাদের পরিবারকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অজ্ঞাত কয়েকটি নম্বর থেকে তাদের মোবাইল নম্বরে ফোন করে গালাগাল, হুমকি ও অশোভন আচরণ করা হচ্ছে। এতে তারা দুজনেই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি বলেন, "এ ঘটনায় শুক্রবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।"
আরো পড়ুন
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে। অপ্রতিমের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে একটি নম্বর থেকে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারকে কল করা হয়। কল রিসিভ করার পর তিনি অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চান। পরিচয় দেওয়ার পর ওই ব্যক্তি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। পরে কলটি কেটে দেওয়ার পর অন্য আরো কয়েকটি নম্বর থেকে একাধিকবার কল দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নম্বরগুলো ব্লক করে দেওয়া হয়।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ জানান, সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণের অভিযোগে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) কুমিল্লা কোটবাড়ী এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন