শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৬ পি.এম
মেসে খাবার না দেওয়ার কারণে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম মো. আজমল হোসেন (২২)। তিনি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আজমলের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দর্শনার বড় সলুয়া গ্রামে অবস্থিত। তার পিতার নাম মো. কুতুব উদ্দিন।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতের দিকে খুলনার ইসলাম নগর এলাকায় আকিবের বাড়িতে ভাড়া থাকা মেসে ছিলেন আজমল হোসেন। নিয়ম অনুযায়ী, খাবার খাওয়ার জন্য দুই ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়। কিন্তু শুক্রবার রাতে রাতের খাবারের ব্যাপারে নিশ্চিত না করেই অন্য একজনের ভাত খেয়ে ফেলেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে মেসের অন্যান্য সদস্যরা। প্রথমে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং পরে আজমলকে ৫ তলা ভবনের ছাদে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। তার মাথার চুল কেটে ফেলা হয়। একপর্যায়ে ছাদ থেকে পড়ে যান আজমল। পরে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
মৃত আজমলের পিতা জানান, রাত ৯টার দিকে মেস থেকে তার ছেলে ফোন করে জানায়, কাউকে না জানিয়েই ভাত খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এবং তার বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগও তোলা হয়েছে। পরে মেসের কয়েকজনের সঙ্গে ফোনে কথা বলালে তারা তার কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।
মেসের খালা জানান, তিনি রান্না করে খাবার সরবরাহ করতেন এবং মেসের সবাই সেটি খেতেন। নিহত আজমল সেদিন কাউকে না জানিয়েই খাবার গ্রহণ করেছিলেন। পরে সবাই জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।
মারধরের কারণ সম্পর্কে মেসের খালা বলেন, ভাত চুরি, টাকা চুরি, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে তাকে মারধর করা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে তদন্ত করে পিটিয়ে মারার সত্যতা পাওয়া গেছে। ছাদে মারধরের জন্য ব্যবহৃত লাঠি জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আজমলের বাবার কাছে যে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়েছিল, সে বিষয়ে তদন্তের জন্য ফোনের সিডিআর আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
আজমলের মৃত্যু রহস্যজনক বলে উল্লেখ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ড্র’তে রাশিয়ার যুব দলের অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করছে। এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দেশটি আংশিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরে আসছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণের পর রাশিয়ার ওপর আরোপিত কঠোর ক্রীড়া নিষেধাজ্ঞার পর, এটি প্রথমবারের মতো তাদের ওপর থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলো।
রাশিয়ার সঙ্গে ছয় দলের একটি পুলে রয়েছে তুরস্ক, আফগানিস্তান, জিবুতি, সিয়েরা লিওন এবং সুদান। এই গ্রুপে তুরস্কই একমাত্র ইউরোপীয় প্রতিপক্ষ। খবর গোলডটকম।
উদ্বোধনী এই অনুর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ উৎসবটি আগামী ২৪ থেকে ৩০ অক্টোবর আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে মোট ১৯১টি দল অংশগ্রহণ করবে এবং ম্যাচগুলো ছোট মাঠে ৮-এ-সাইড ফরম্যাটে ২০ মিনিটের হাফে খেলা হবে।
এই শিথিলতা কেবল যুব স্তরের ফুটবলের জন্য প্রযোজ্য। রাশিয়ার সিনিয়র জাতীয় দল এবং ক্লাবগুলোর ওপর উয়েফা ও ফিফার নিষেধাজ্ঞা আগের মতোই বহাল থাকবে। এর মানে হলো তারা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বা চ্যাম্পিয়নস লিগের মতো প্রধান প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না।
রাশিয়ার অন্তর্ভুক্তির কারণে বেশ কিছু বড় দল টুর্নামেন্ট থেকে দূরে রয়েছে। উয়েফার ৫৫টি সদস্য দেশের মধ্যে কেবল ৩৭টি এই ড্রতে অংশ নিয়েছে। ইউক্রেন ছাড়াও জার্মানি, নেদারল্যান্ডস এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এই টুর্নামেন্টে খেলছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে দীর্ঘদিন রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হলেও, প্রতিষ্ঠানটির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘কোনো কিছু না করেই নামটা পর্যন্ত হাইজ্যাক করে ফেলা হয়েছিল।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবনির্মিত কেবিন ও মসজিদ উদ্বোধন, হাসপাতাল পরিদর্শন এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কমিটমেন্ট ছিল। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে খুরশীদ হাসান হক (চকলেট আপা) এমপি এবং তিনি ড্যাবের মহাসচিব থাকা অবস্থায় ধানক্ষেতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়েছিল। তখন থেকেই এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
মন্ত্রী বলেন, এরপর অনেক বছর চলে গেছে। বিভিন্ন সময়ে মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাজনীতি করা হলেও, সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়নি। একপর্যায়ে কোনো কিছু না করেই প্রতিষ্ঠানটির নামও পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছিল। বর্তমানে নামটি আবার ফিরে এসেছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ক্ষমতায় এসে ৫০০ শয্যার হাসপাতালকে এক হাজার শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। ২০ বছর চলে গেছে, আবার নাম ফিরে এসেছেন। অবিলম্বে জনবল নিয়োগ ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
হাসপাতালের জনবল সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ জনবল রয়েছে। এই জনবল দিয়েই প্রতিদিন ভর্তি থাকা প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বহির্বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার থেকে ৩ হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তিনি হাসপাতালের এনআইসিইউ ও কিডনি ডায়ালাইসিস সেবার প্রশংসা করে বলেন, এখানে মাত্র ৪০০ টাকায় কিডনি ডায়ালাইসিস করা হয়। এত কম খরচে দেশে আর কোথাও ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ১০ জন রোগীর জন্য চারজন নার্স থাকলে সেবার মান আরো ভালো হতো। অথচ বর্তমানে চারজন নার্সকে ২৭ জন রোগীর দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটে।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা থেকে দিনাজপুরের দূরত্ব প্রায় সাড়ে ৩৫০ কিলোমিটার। ফলে এখানে প্রয়োজনীয় জনবল দিতে চাইলেও সব সময় আগ্রহী জনবল পাওয়া যায় না। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা আরো উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শেখ সাদেক আলী, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সারোয়ার মুর্শেদ আলম, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহম্মেদ কচি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেটার ঈশান কিষাণ যখন "বিসমিল্লাহ" বলেন, তখন তাকে সাধারণত রসিকতা এবং সাংস্কৃতিক উদারতার অংশ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু যখন একজন মুসলিম আইপিএস কর্মকর্তা "আসসালামু আলাইকুম" বলেন, তখন তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
সম্প্রতি আফগানিস্তান দল সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ঈশান কিষাণ হেসে উত্তর দিতে শুরু করেন— "প্রথমেই, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"। এই হালকা মেজাজের মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভারতীয় নেটিজেনরা একে অত্যন্ত মিষ্টি ও আনন্দদায়ক মন্তব্য হিসেবে গ্রহণ করেন।
তবে ঈশানের প্রতি এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পশ্চিমবঙ্গের আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানোকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কটিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
বুশরা বানো সম্প্রতি নিজের সিভিল সার্ভিস জয়ের যাত্রা নিয়ে তৈরি একটি ভিডিওতে "আসসালামু আলাইকুম", "ইনশাআল্লাহ" এবং "জাজাকাল্লাহ"-র মতো ইসলামি ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করেছিলেন। এরপর একটি উগ্র ডানপন্থী সংগঠন তার এই আচরণের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে অভিযোগ তোলে। তাদের দাবি ছিল, বুশরা বানো একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং কেন তিনি "জয় হিন্দ" বা "বন্দে মাতরম"-এর মতো শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেননি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়। এর পরপরই ওই নারী কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।
যদিও সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বদলিকে "জনস্বার্থে নেওয়া পদক্ষেপ" হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং ধর্মীয় অভিবাদনের কারণে এই বদলি কি না তা নিশ্চিত করেনি। তবে অনলাইনে তীব্র সমালোচনা এবং অভিযোগের পরপরই এই বদলির ঘটনাটি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
একজন হিন্দু ক্রিকেটার যখন "বিসমিল্লাহ" উচ্চারণ করেন, তখন তাকে উদারতা হিসেবে দেখা হয়; অথচ একজন মুসলিম আইপিএস কর্মকর্তা যখন "আসসালামু আলাইকুম" বলেন, তখন তার ধর্মনিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
উভয়ের পেশা ও অবস্থান ভিন্ন হলেও, দুই ঘটনায় সাধারণ হিন্দুত্ববাদীদের দ্বিমুখী প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। মূল সমস্যাটি কি আসলে ধর্মীয় শব্দ প্রয়োগের, নাকি কে শব্দটি ব্যবহার করছেন তার ওপর নির্ভর করছে এই গ্রহণযোগ্যতা?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের মতলব পৌর এলাকা থেকে নিখোঁজের চার দিন পর পুলিশ রিকাবি বেগম (১০৫) নামের এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে পৌর শহরের উত্তর বাইশপুর এলাকার ধনাগোদা নদীর পূর্ব পাশে অবস্থিত একটি ফসলি জমি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রিকাবি বেগম মতলব পৌরসভার চরমুকুন্দী গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত আমির আলী সওদাগরের স্ত্রী ছিলেন।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রবাসী মামুনের স্ত্রী যখন বাড়ির ময়লা পানি ফেলতে যান, তখন তিনি আশপাশে এক অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ পান। দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে তিনি বাড়ির পাশের ফসলি জমির পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখতে পান। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রথমে মরদেহটির পরিচয় জানা না গেলেও পরে স্বজনরা তা শনাক্ত করেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে রিকাবি বেগম বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা চার দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে তাঁকে খুঁজেছেন, কিন্তু তাঁর সন্ধান পাননি।
নিহতের ছেলে মো. বাচ্চু মিয়া সওদাগর জানান, তাঁর মা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং তিনি চোখেও কম দেখতেন। তাঁকে খুঁজে পেতে পৌর এলাকা এবং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হয়েছিল। তিনি আরও জানান, এর আগেও কয়েকবার তাঁর মা বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ