প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেটে টানা ২ দিন ধরে প্রচন্ড গরম, তাপমাত্রা ৩৭.৭ ডিগিতে তাড়িয়েছে। শরতের নীল আকাশ কাঁপিয়ে নামছে তীব্র দাবদাহ। আশ্বিনের চেনা স্নিগ্ধ রূপ ছাপিয়ে এক অদ্ভুত ও প্রখর তাপপ্রবাহে পুড়ছে চারপাশ। যে ঋতুতে শিউলি ঝরার আর কাশবনের দোলায় মন জুড়ানোর কথা, সেখানে এক অগ্নিকুন্ড যেন গ্রাস করেছে প্রকৃতিকে। এক দিনের বিরতির পর দেশের বিভিন্ন স্থানে আবার তাপপ্রবাহ শুররু হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিলেট ও শ্রীমঙ্গলসহ দেশের ১৮ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে। এর আগে চলতি মাসে দুই দফায় তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। আবহাওয়ার অফিস অবশ্য বলেছে, আজ মঙ্গলবার থেকে তাপপ্রবাহ কমে আসতে পারে।
রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদি কোনো এলাকার তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তবে সেখানে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে ধরা হয়।
যেসব জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সিলেট ৩৬ দশমিক ৫, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ৩৭ দশমিক ৭, টাঙ্গাইল ৩৬ দশমিক ৮, সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩৬ দশমিক ৫, ঢাকা ৩৬ দশমিক ৭, পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩৬, ফরিদপুর ৩৭, গোপালগঞ্জ ৩৬ দশমিক ২, কিশোরগঞ্জের নিকলী ৩৬, রাজশাহী ৩৬ দশমিক ৫, ময়মনসিংহ ৩৬ দশকি ৪, নেত্রকোনা ৩৬, সিলেট ৩৬ দশমিক ১, টাঙ্গাইল ৩৬ দশমিক ৮, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ৩৭ দশমিক ৭, খুলনা ৩৭, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ৩৬, যশোর ৩৬ দশকি ২, চুয়াডাঙ্গা ৩৭, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ৩৬ দশমিক ১, ফেনী ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত মঙ্গলবার দেশের ২৫ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। এর পরদিন ১১ জেলায় তাপপ্রবাহ ছিল। দুই দিনের বিরতির পর শনিবার আবার তাপপ্রবাহ শুরু হয়। তবে রোববার বৃষ্টি বেড়ে গেলে তাপপ্রবাহ কমে যায়। গতকাল আবার তাপপ্রবাহ শুরু হলো। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, আজ থেকে তাপপ্রবাহের পরিধি কমে আসতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, সাগরে লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এটি সৃষ্টি হয়েছে মূলত উত্তর আন্দামান সাগরে। এটি নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে অধিদপ্তরের সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে এটি ভারতের ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের দিকে যেতে পারে। এর প্রভাবে অবশ্য বাংলাদেশের উপকূলে আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন