প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সহায়তা সংস্থা ক্যামফেড কেমব্রিজ ও জিম্বাবুয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সংস্থাটি জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, তানজানিয়া, মালাউই, কেনিয়া ও ঘানায় মেয়েদের শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে কাজ করছে।
ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকায় প্রতি ১০ জনের মধ্যে মাত্র ৬ জন মেয়ের মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ১০ শতাংশেরও কম।
২৫ বছর বয়সী ফ্রান্সিসকা আরহিনফুল ঘানার মধ্যাঞ্চলের আজুমাকো এলাকায় বড় হয়েছেন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে তার উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
পরে পরিবারের এক খালা তার পড়াশোনার খরচ বহন করার পর পুনরায় তার শিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ঘটে। ক্যামফেড ওই সময় তাকে বৃত্তি প্রদান করে এবং তার মতো সুবিধাবঞ্চিত পটভূমি থেকে আসা তরুণীদের সংগঠন ক্যামফেড অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত করে।
আরহিনফুল বলেন, “এই সহায়তা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছে।” অন্যদিকে, মেনসাহ বর্তমানে ২৯ বছর বয়সী, তিনিও ১৪ বছর বয়সে স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন।
মেনসাহ বলেন, “আমি আবার পড়াশোনা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু জানতাম না কবে সেই সুযোগ পাবো।” পরে তার বাড়ির কাছাকাছি একটি বিনামূল্যের উচ্চবিদ্যালয় চালু হলে তিনি আবার লেখাপড়া শুরু করতে সক্ষম হন।
শেষ পর্যন্ত মেনসাহ, আরহিনফুল ও ইসাহ, এই তিনজনই ক্যামফেডের সহায়তায় ঘানার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য অর্থায়ন পান। এছাড়া পরে সংস্থাটি তাদের মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের স্কলার্স প্রোগ্রামে যুক্ত হতে সহায়তা করে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের পড়াশোনার পুরো খরচও বহন করা হয়।
বর্তমানে এই তিন নারী তাদের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে থাকা মেয়েদের সহায়তা করতে কাজ করছেন। তারা ক্যামফেডের ‘লার্নার গাইড’ হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। লার্নার গাইডরা সহপাঠী পরামর্শক হিসেবে ছেলে-মেয়েদের জীবনদক্ষতা ও মানসিক সুস্থতা সম্পর্কে শিক্ষা দেন, যাতে বিশেষ করে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মেয়েরা স্কুলে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন