প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন, যা প্রায় আট ঘণ্টা স্থায়ী ছিল। এই দিনব্যাপী সফরে তিনি মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ এবং প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। সফরের সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে খুলনার দাকোপে যান। সেখান থেকে তিনি নৌপথে মোংলা জেটিতে পৌঁছান। মোংলায় পৌঁছানোর পর তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন ঘুরে দেখেন। সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট এলাকায় প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল এলাকা হেলিকপ্টার থেকে পরিদর্শন করার কথাও জানা গেছে।
দুপুরে মোংলা নৌঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর মধ্যাহ্নবিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। বিকেলে তিনি মোংলা বন্দরের জেটি ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘুরে দেখেন। সফর শেষে সরকারপ্রধান ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে। তাদের মতে, মোংলা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিয়মিত ড্রেজিং এবং সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, এসব সমস্যার সমাধান হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাণিজ্য ও শিল্প কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন