প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানাজায় অংশ নিয়েছেন।
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার (১২ জুলাই) আসরের নামাজের পর জাতীয় সংসদ ভবনে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে জানাজা হয় জাতীয় সংসদের মূল ভবনের প্রবেশ টানেলে, যা ছিল বৈরী আবহাওয়ার কারণে।
জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন।
এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। উক্ত সময় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দও সঙ্গে ছিলেন।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে অন্যান্য হুইপগণ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় ফুল দিয়ে।
এরপর মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের বর্ণাঢ্য ও কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুল ইসলাম এবং চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
এর আগে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন। পরে অধিবেশনে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, রোববার ভোরে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ইন্তেকাল করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন