বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ পি.এম
ভারতের মহারাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক ঘটনায় সমুদ্রে ডুবে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার দিভেগার সমুদ্রসৈকতে এই ঘটনা ঘটার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পুনের আলান্দির উইনার্স একাডেমির একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির মোট ৪৮ সদস্যের একটি দল সেখানে ভ্রমণ করতে গিয়েছিল। এই দলের মধ্যে ২৫ জন ছাত্র, ১৭ জন ছাত্রী এবং ছয়জন শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা যখন সমুদ্রে সাঁতার কাটতে নামে, তখন তাদের মধ্যে ৮ জন পানির স্রোতে ভেসে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা পানির গভীরতা ও স্রোতের তীব্রতা বুঝতে পারেনি। তবে ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ এবং প্রশাসনের সদস্যরা আট শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন তন্ময় দত্তাত্রয় ভাহিলে, সুমিত ভারত আহিরে, প্রণব রামদাস বানসোড়ে, কৈবল্য সতীশ ওয়াসানকার, রাজবীর যুবরাজ ভাহিলে, যশ কিরণ ওয়াংখেড়ে, সোহম তুকারাম ভান্দভালকর এবং কৌস্তুভ সন্দীপ দাউন্দ। তাদের সবার বয়স ১৬ বছর এবং তারা পুনের আলান্দির বাসিন্দা।
ঘটনার খবর পেয়ে দিঘি সাগরি বোরলি পঞ্চায়তন থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক সন্তোষ আওয়াতি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো বোরলি পঞ্চায়তন প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
এছাড়া, এ ঘটনায় পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) ৪ হাজার ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট ও ২০০টি মশারি প্রদান করেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব সামগ্রী হাসপাতালের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিডিআরসিএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাসপাতালটিতে ডেঙ্গু রোগীর দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য এসব সামগ্রী ব্যবহার করা হবে। এই কার্যক্রমটি আন্তর্জাতিক ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) ডিজাস্টার রেসপন্স ইমার্জেন্সি ফান্ড (ডিআরইএফ) এবং আমেরিকান রেড ক্রসের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।
হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেন, গত তিন মাসে হাসপাতালটিতে ৫৭১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। সাধারণ মানুষের জন্য ডেঙ্গু পরীক্ষা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে রেড ক্রিসেন্ট সর্বনিম্ন ফিতে পরীক্ষা পরিচালনা করছে।
বিডিআরসিএসের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম বলেন, ডেঙ্গু দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগ শনাক্ত করে সময়মতো প্রতিরোধ ও চিকিৎসা প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যসেবার সম্মুখসারির প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতেই এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসে ডেঙ্গু দ্রুত শনাক্তকরণের সক্ষমতা বাড়াতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে ৪০ হাজারের বেশি ডেঙ্গু এনএস১ র্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট কিট হস্তান্তর করেছে বিডিআরসিএস।
সংস্থাটি জানাচ্ছে, চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানকে সামগ্রী সরবরাহের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা, স্বেচ্ছাসেবক সম্পৃক্ততা এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রচারও তারা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারি কর্তৃপক্ষ ও রেড ক্রস-রেড ক্রিসেন্ট মুভমেন্টের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইজারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এসএফভি) ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। তারা ঘোষণা করেছে যে, ভবিষ্যতে ইনফান্তিনোকে ফিফা সভাপতি হিসেবে সমর্থন করবে না। গত বুধবার এই সমর্থন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এসএফভি।
গত জুন মাসে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতাকে সমর্থন করার পর, ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এক মিটিংয়ে সুইস ফুটবল কমিটি তাদের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে।
এসএফভি তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘গত কয়েক মাসের ঘটনাবলির ব্যাপক পুনর্মূল্যায়নের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
ইংল্যান্ড, ওয়েলস, ফ্রান্স, সার্বিয়া এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোও নির্বাচনের আগে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। উয়েফা নভেম্বরের নির্বাচনের আগে একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপস্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বিশ্বস্ত ডিভাইস, অনুমোদিত সফটওয়্যার, সুরক্ষিত মিশন’- এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিমানবাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত বিমানবাহিনী সদর দপ্তরের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ। তিনি সাইবার নিরাপত্তাকে বিমানবাহিনীর অপারেশনাল প্রয়োজন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি নিরাপদ ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা অপারেশনাল কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এবং সাইবার হুমকি মোকাবেলায় সক্ষম।
তিনি আরও বলেন, বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাইবার সুরক্ষা, ব্যবস্থাপনা, জনবল ও দক্ষতার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বিমানবাহিনীর সকল সদস্যকে সাইবার নিরাপত্তাকে কমান্ড পর্যায়ের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা ও অনুমোদিত নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাইবার ওয়ারফেয়ার ও ইনফরমেশন টেকনোলজি (সিডব্লিউঅ্যান্ডআইটি) পরিদপ্তরের পরিচালক উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানান। তিনি স্বাগত বক্তব্যে বিমানবাহিনীর কার্যক্রম ও তথ্যের সুরক্ষায় ব্যক্তিগত সচেতনতা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে শৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিমানবাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটিতে সচেতনতামূলক উপস্থাপনা, মতবিনিময়সভা ও সচেতনতা যাচাইমূলক কুইজ আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি বিমানবাহিনীর পরিবারের সদস্য এবং বিএএফ শাহীন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্যও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, ঢাকা এরিয়ার এয়ার অধিনায়ক, বিমান সদরের পরিচালক এবং বিভিন্ন ঘাঁটির নির্বাচিত কর্মকর্তা, বিমানসেনা, এমওডিসি (এয়ার) সদস্যসহ বেসামরিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়া ৯-২ বাংলাদেশ
আজ হামজা চৌধুরীর জন্মদিন, যিনি দেশের ফুটবলের অন্যতম প্রধান তারকা। সতীর্থদের আশা ছিল, তারা বিশেষ এই দিনে দারুণ ফুটবল প্রদর্শন করে হামজাকে খুশি করবেন। তবে বাংলাদেশ দলের খেলা ছিল হতাশাজনক, যা হামজাকে আজকের দিনটি দ্রুত ভুলে যেতে বাধ্য করবে।
ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দল স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে পরাজিত হয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছে গেছে।
বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় পরাজয়। এর আগে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা তিনবার ৯ গোল খেয়েছিল। ১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে এবং ১৯৮২ সালে ইরানের বিরুদ্ধে তারা ৯-০ গোলে হেরেছিল। এছাড়া, ১৯৭৫ সালে হংকংয়ের কাছে ৯-১ গোলে পরাজিত হয়েছিল।
জার্কাতার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই ইন্দোনেশিয়া ৬-১ গোলে এগিয়ে যায়। মিচেল লি বেকার একাই চার গোল করেন। এই অবস্থায় বাংলাদেশ দলকে বিরতিতে যেতে হয়, যখন তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়ের শঙ্কা দেখা দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভাগ কিছুটা উন্নতি করলেও, বাংলাদেশ আর কোনো গোল না খেয়ে ম্যাচ শেষ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু ৯০ মিনিট থেকে যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে ইন্দোনেশিয়া আরো তিন গোল করে।
বাংলাদেশের টুর্নামেন্টে প্রাপ্তি বলতে দুটি গোল—৩৬ মিনিটে শাহরিয়ার ইমন এবং যোগ করা সময়ে ইংল্যান্ড প্রবাসী ফারহান আলী ওয়াহিদের গোলে তারা আরেকবার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা থেকে রক্ষা পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ