প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আজ দিল্লিতে বিরোধীরা আবারও এক বিশাল বিক্ষোভে অংশ নিতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবারের (৮ অক্টোবর) এই বিক্ষোভে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগদান করবেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে বুধবার (৭ অক্টোবর) কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ বেশ কিছু বিরোধী দলের নেতাকে বিক্ষোভ চলাকালীন আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। আজকের বিক্ষোভের জন্য বিরোধী ইন্ডিয়া (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স) জোট আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মধ্যাহ্নভোজের বৈঠকের পর বিরোধী দলগুলো একত্রে বিক্ষোভে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। এ সময় সংসদ সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসের ব্যবস্থা করা হয়।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে বাসগুলো অগ্রসর হচ্ছিল। কিন্তু দিল্লির অশোক রোডে শাংরি-লা হোটেলের কাছে বাসগুলো থামিয়ে দেওয়া হয়। এই স্থান যন্তর মন্তর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
এরপর ভারতের রাজধানীতে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়। যন্তর মন্তরে যেতে না পেরে বিরোধী নেতারা সেখানে বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং সিইসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। পরে বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।
বুধবারের সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে বাধা পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আরও বড় বিক্ষোভের ঘোষণা করেছেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা।
বুধবারই বিরোধী দলগুলোর মধ্যে নতুন করে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নেতারা জানিয়েছেন, এবারের আন্দোলনে আরও বেশি সংখ্যক সংসদ সদস্য অংশগ্রহণ করবেন।
প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের মূল অভিযোগ হলো, তিনি নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।
বিরোধী দলগুলোর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কমিশন এমন একটি প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে, যার ফলে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ পড়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বিহারের ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণের বিষয়ে বিরোধীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।
বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন তাদের উদ্বেগ যথাযথভাবে আমলে নিচ্ছে না এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। এই কারণেই সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তারা বিক্ষোভ করছে।
এমন পরিস্থিতিতে বুধবার দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে রাহুল গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী নেতা আটক হওয়ার পর বৃহস্পতিবার আরও বড় কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ইন্ডিয়া জোট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন