প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা অভিনন্দন প্রস্তাব পাস করেছে। এছাড়া, মাঠ পর্যায়ে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছে মন্ত্রিসভা।
আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ উপলক্ষে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাব পাস করা হয়েছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত, যা বাংলাদেশের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রেখেছেন, যেখানে তাঁর পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ২৬ আগস্ট ১৯৮০ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রেখেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১ অক্টোবর ১৯৯৩ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে বক্তব্য রেখেছিলেন। একই পরিবারের তিনজন সদস্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করা বিশ্ব ইতিহাসে একটি অনন্য ঘটনা।
চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও সভায় অংশগ্রহণ করেছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদানের পাশাপাশি তিনি ৭টি উচ্চ-পর্যায়ের সভায় বক্তব্য রেখেছেন, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরেছে এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে, মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর ধারা ৬৪-তে নিম্নরূপ সংশোধনের জন্য ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতি তিন কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার বিধানের পরিবর্তে প্রত্যেক কর মেয়াদের জন্য মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার বিধান পুনঃপ্রবর্তন করা হয়েছে।
১৫তম দিবসে সরকারি ছুটি থাকলে তৎপরবর্তী কার্যদিবসে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে। কোনো সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ২০ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করতে পারবে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪-তে সংশোধনের জন্য ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতি তিন কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার বিধানের পরিবর্তে প্রত্যেক কর মেয়াদের জন্য মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার বিধান পুনঃপ্রবর্তন করা হয়েছে।
১৫তম দিবসে সরকারি ছুটি থাকলে তৎপরবর্তী কার্যদিবসে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে। কোনো সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বিমা এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ২০ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করতে পারবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন