প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চিকিৎসা পেশায় সাফল্যের আরও একটি ধাপে উন্নীত হয়েছেন মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুচর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের কৃতী সন্তান, অর্থোপেডিক, ট্রমা ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান। তিনি সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁর এই অর্জনের খবরে পরিবার-পরিজন, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।
ডা. মাহবুবুর রহমান খানের পিতা মো. সিরাজুল ইসলাম খান ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। শিক্ষা, সততা ও মূল্যবোধের চর্চা ছিল তাঁদের পরিবারের বৈশিষ্ট্য। পিতার শিক্ষাদর্শন ও নিজের অধ্যবসায়কে পাথেয় করে তিনি শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের পথে এগিয়েছেন।
তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা কৃষ্ণনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে তিনি খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজে অধ্যয়ন করেন। এরপর দেশে ও বিদেশে অর্থোপেডিক, ট্রমা ও স্পাইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকার মানুষের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে তিনি নিজ এলাকায় এসে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। শিকড়ের সঙ্গে এই সম্পর্ক ও মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা তাঁকে স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে আরও প্রিয় করে তুলেছে।
এলাকাবাসীর মতে, জাতীয় পর্যায়ে চিকিৎসাসেবায় তাঁর এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং পুরো এলাকার জন্য গর্বের বিষয় এবং নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। শুভানুধ্যায়ীরা প্রত্যাশা করছেন, নতুন এই পদে তিনি চিকিৎসাসেবায় আরও বৃহত্তর অবদান রাখতে পারবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন