প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে অসাধারণ এক ‘অলিম্পিক গোল’ করে ঋতুপর্ণা চাকমা আলোচনা তৈরি করেছেন। তার করা সেই গোলটি শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, বরং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ‘অলিম্পিক গোল’ নিয়ে নতুন একটি কৌতূহলও জন্ম দিয়েছে।
ফুটবলের পরিভাষায়, কর্নার কিক থেকে যদি কোনো খেলোয়াড়ের স্পর্শ ছাড়াই বল সরাসরি জালে ঢুকে যায়, সেটিকে ‘অলিম্পিক গোল’ বলা হয়ে থাকে। এ মানে হল, কর্নার থেকে নেওয়া বল যদি বাতাসে বাঁক হয়ে সরাসরি গোলপোস্টে প্রবেশ করে এবং মাঝপথে কেউ এটি স্পর্শ না করে, তখনই সেটি অলিম্পিক গোল বলে অভিহিত করা হয়।
ঋতুপর্ণার ওই গোলটিও ঠিক এমনই ছিল। তার কর্নার থেকে নেওয়া নিখুঁত শটটি সরাসরি জালের মধ্যে প্রবেশ করে। তাই নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি অলিম্পিক গোল হিসেবে গন্য করা হয়েছে।
‘অলিম্পিক গোল’ নামটির উৎপত্তি ঘটে ১৯২৪ সালে। ওই সময় প্যারিস অলিম্পিকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল উরুগুয়ে। পরে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের খেলায় আর্জেন্টিনার সেসারেও অনজারি কর্নার থেকে সরাসরি গোল করা হয়। অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে করা সেই গোল থেকেই ‘গোল অলিম্পিকো’ বা ‘অলিম্পিক গোল’ নামের প্রচলন শুরু হয়।
ফুটবলে এমন গোল সৃষ্টি হওয়া খুবই বিরল ঘটনা। কারণ, কর্নার থেকে সরাসরি গোল করার জন্য নিখুঁত কার্ভ, সঠিক গতি এবং অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ঋতুপর্ণার এই গোলটি বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবেই গতিবিধি খুঁজে পেয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন